উইন্ডোজ কী – What is Windows
Windows হলো এক ধরনের Software যা আপনার কম্পিউটার চালাতে সাহায্য করে। কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনে প্রথমে যে Software ইনস্টল করতে হয় সেটি হলো Windows।
Windows আসলে একটি Operating System। এটি Microsoft Company তৈরি করেছে।
এটি সবচেয়ে Basic Level Software। আপনার আর কম্পিউটারের মধ্যে সেতুর মতো কাজ করে। অর্থাৎ এর মাধ্যমে আপনি কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
উদাহরণ হিসেবে যদি বলি, আপনি যখন কোনো কম্পিউটার বা ল্যাপটপ চালু করেন, তখন সবার আগে যে Screen বা Display দেখতে পান সেটিই হলো Operating System Software, অর্থাৎ Windows।
এই Software বাকি সব Software এবং Hardware নিয়ন্ত্রণ করে।
উইন্ডোজ এর ইতিহাস – History of Windows in Bengali
Microsoft Windows এর ইতিহাস প্রায় ৩৫- ৪০ বছর পুরনো। আমরা যে আজ windows ব্যবহার করছি তা আগে সেরকম উন্নত ছিল না।
সর্ব প্রথম ১৯৮৩ সালে Microsoft
এর প্রতিষ্ঠাতা 'বিল গেটস' এই windows
প্রতিষ্ঠিত করে।কিন্তু জন গনের সামনে ১৯৮৫ সালে এটি প্রকাশিত করে।
১৯৭৫ সালে'বিল গেটস' এবং 'পল এলেন' মিলে মাইক্রোসফট কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত করেন। প্রথম দিকে এই মাইক্রোসফট computer engineering এর ক্ষেত্রে কাজ করত যা এখন বিশ্ব বিখ্যাত software company হিসাবে বিশ্ব বিখ্যাত ।
সংস্করণ – প্রকাশের বছর
Windows 1.0 – 1985
Windows
1.02 – 1986
Windows
1.03 – 1986
Windows
1.04 – 1987
Windows
2.03 – 1987
Windows
2.10 – 1988
Windows
2.11 – 1989
Windows
3.0 – 1990
Windows
3.1 - 1992
Windows
NT 3.1 – 1993
Windows
for Work group 3.11 – 1993
Windows
3.2 - 1993
Windows
NT 3.5 – 1994
Windows
NT 3.5 1 – 1995
Windows
95 – 1995
Windows
NT 4.0 – 1996
Windows
98 – 1998
Windows
2000 – 2000
Windows
Me – 2000
Windows
XP – 2001
Windows
XP Professional x64 Edition – 2005
Windows
Vista – 2007
Windows
7 – 2009
Windows
8 – 2012
Windows
8.1 – 2013
Windows
10 – 2015
Windows 11 – 2021
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ভার্সনের তালিকা - All Windows versions in order
Windows 1.0
Windows
2.0
Windows
3.0
Windows
3.1
Windows
95
Windows
98
Windows
Me
Windows
2000
WindowsXP
Windows
7
Windows
Vista
Windows
8
Windows
10
Windows 11
উইন্ডোজ কত প্রকার ও কি কি ? Types of Windows in Bangla
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম (windows Operating system) অনেক প্রকার এর হয় এবং আলাদা আলাদা হিসাবে ভাগ করা যেতে পারে. তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে basic যে প্রকার আছে তা শুধুমাত্র দুটি প্রকার আছে
● Single User Operating
System
● Multiple User Operating System
1) সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম কাকে বলে? - Single User OS
Single User Operating Systems হলো এমন এক software যা এক সময়ে শুধুমাত্র এক ব্যক্তি দ্বারা ব্যাবহার করতে পারবে। যার মানে হলো এক বারে সুধুমাত্র একটি ব্যক্তি সেই computer এ কাজ করতে পারবে।
উদাহরণ হিসাবে,
আপনি বাড়িতে যে computer ba ল্যাপটপ টি ব্যাবহার করছেন সেটি হলো Single User OS অর্থাৎ শুধুমাএ আপনি সেই computer এ এক সময়ে একটি কাজ করতে পারবেন।
2) মাল্টিপল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম কাকে বলে? - Multiple User OS
Multiple User Operating System এ কম্পিউটারে একসাথে এক বা একাধিক লোক একসাথে কাজ করতে পারে। মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বড় কোম্পানি, বিশ্বস্ত, কলেজ, হাসপাতাল ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
Windows কি ধরনের Software ?
কম্পিউটার চালাতে গেলে শুধু Hardware থাকলেই হয় না।
Mouse, Keyboard, Scanner—সবই আছে, কিন্তু এগুলো একা কিছু করতে পারে না।
এই সবকিছুকে একসাথে চালাতে যে Software দরকার, সেটাই হলো Operating System।
Operating System এমন এক Software, যা কম্পিউটারের ভেতরের যন্ত্রাংশ (যেমন Keyboard, Mouse) আর বাইরের Software (যেমন Game, Browser) এর মধ্যে যোগাযোগ করায়।
এটা ঠিক যেন এক দোভাষী, যে Hardware-এর ভাষা বুঝে Software-কে বলে দেয় কী করতে হবে।
Windows হচ্ছে সেই Operating System, যা আপনার কম্পিউটারকে চালাতে শেখায়।
এটা শুধু একটা Software নয়—এটা হলো কম্পিউটারের চালক।
Windows বলে দেয় কোন App কখন খুলবে, কীভাবে চলবে, কোন File কোথায় থাকবে।
তাহলে সঠিক উত্তর হলো Windows একটি Operating System ধরনের Software,
যা কম্পিউটারের সমস্ত Hardware ও Software-এর মধ্যে যোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণের কাজ করে।
এটা ছাড়া কম্পিউটার শুধু একটা বাক্স—নাড়াচাড়া নেই, প্রতিক্রিয়া নেই।
Microsoft Windows-এর সর্বশেষ ভার্সন কি? ও কী কী নতুন এসেছে এই ভার্সনে?
আজকের দিনে কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে নতুন ও আধুনিক Operating System হলো Windows 11, Version 24H2।
এই Version টি ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশিত হয়েছে। এতে কিছু নতুন সুবিধা যুক্ত হয়েছে যা আগের Version-এ ছিল না।
- Artificial Intelligence (AI)-এর সাহায্যে আরও স্মার্ট কাজের সুবিধা পাওয়া যায়
- নতুন Design ও Theme, যা চোখে আরাম দেয়
- Security System আরও শক্তিশালী করা হয়েছে
- দ্রুত Performance, এমনকি পুরনো Laptop-এও ভালো চলে ।
Microsoft Windows এর ১০টি বৈশিষ্ট -
Microsoft Windows 10 Features in Bangla
Microsoft Windows হলো একটি Operating System যা Hardware এবং Software-এর মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করে। যদি এই Operating System কোনো Device-এ না থাকে, তাহলে সেটি চালানো সম্ভব হয় না।
এখন এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
- User Interface: উইন্ডোজের ইন্টারফেস খুবই সহজ, তাই যে কেউ ব্যবহার করতে পারে।
উদাহরণ: Application Manage, Start Menu, Taskbar
- Multitasking: একসাথে একাধিক কাজ করা যায়।
উদাহরণ: একই সময়ে একটি Word Document এবং Internet Browser ব্যবহার করা
- File Manager: ফাইল ও ফোল্ডার সহজে খোলা, মুছে ফেলা, নাম পরিবর্তন করা যায়।
উদাহরণ: File Explorer
- Security: বিল্ট-ইন Antivirus এবং Firewall থাকে যা ভাইরাস ও Malware থেকে রক্ষা করে।
উদাহরণ: Windows Defender
- Networking: বিভিন্ন Network-এ সংযোগ করা যায় এবং Internet ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ: Wi-Fi, Bluetooth
- Control Panel: সিস্টেমের সব Settings নিয়ন্ত্রণ করার জায়গা।
উদাহরণ: Hardware ও Software Settings
- Windows Update: সিস্টেম ও Application সবসময় আপডেট রাখে।
উদাহরণ: নতুন Features ও Security Patch
- Virtual Desktop: আলাদা আলাদা Desktop তৈরি করা যায়।
উদাহরণ: কাজের জন্য একটি, ব্যক্তিগত কাজের জন্য আরেকটি Desktop
- Task Manager: কম্পিউটারের কাজ পর্যবেক্ষণ করে যাতে সঠিকভাবে চলে।
উদাহরণ: CPU ও Memory ব্যবহার দেখা
- Windows Search: দ্রুত ফাইল, ফোল্ডার বা Settings খুঁজে পাওয়া যায়।
উদাহরণ: Start Menu দিয়ে Application খোঁজা
- Windows Store: নতুন Application ডাউনলোড ও ইনস্টল করার জায়গা।
উদাহরণ: Games ও Productivity Apps
- Windows Hello: Biometric Login করার সুবিধা।
উদাহরণ: Face Recognition, Fingerprint Scanner
- Windows Ink: Stylus Pen দিয়ে Screen-এ লেখা, আঁকা বা Highlight করা যায়।
উদাহরণ: Note তৈরি, আঁকাআঁকি
- Windows Snap: এক Screen-এ একাধিক Windows পাশাপাশি চালানো যায়।
উদাহরণ: দুটি Application একসাথে দেখা
- Windows Timeline: গত কয়েকদিনে করা কাজের History সংরক্ষণ করে।
উইন্ডোজ 10 কি ধরনের সফটওয়ার?
উইন্ডোজ 10 হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)।
সহজভাবে বললে, এটি এমন একটি সফটওয়্যার যা আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে ভালোভাবে চালাতে সাহায্য করে।
Windows Update দিলে কী হয়?
১. বাগ ফিক্স (Bug Fix):
কম্পিউটারে মাঝে মাঝে ছোটখাটো সমস্যা দেখা দেয়, যেমন সফটওয়্যার হ্যাং করে, স্লো হয়ে যায়, বা কিছু ফিচার কাজ করে না। Windows Update এই সমস্যাগুলো ঠিক করে দেয়।
২. নতুন ফিচার যোগ হয়:
মাইক্রোসফট মাঝে মাঝে নতুন সুবিধা বা ডিজাইন যুক্ত করে। আপডেট দিলে আপনি সেই নতুন ফিচারগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
৩. নিরাপত্তা বাড়ে (Security Update):
হ্যাকাররা সবসময় নতুন উপায়ে কম্পিউটারে ঢোকার চেষ্টা করে। Windows Update সেই ঝুঁকি কমায়, আপনার তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে।
৪. সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সমর্থন:
নতুন প্রিন্টার, স্ক্যানার বা অ্যাপ চালাতে হলে Windows Update দরকার হতে পারে। এতে আপনার কম্পিউটার নতুন ডিভাইসের সাথে সহজে কাজ করতে পারে।
উইন্ডোজ প্রোডাক্ট কি - Windows 8.1 Product Key 2026
1. Windows 8.1 Core
6RH4V-HNTWC-JQKG8-RFR3R-36498
3FCND-JTWFM-24VQ8-QXTMB-TXT67
MMRNH-BMB4F-87JR9-D72RY-MY2KV
T3NJK-3P683-2T7BJ-2X27F-8B2KV
2. Windows 8.1 Universal
CR8NG-63KCR-X2MPD-G7M7P-GQ4DH
QGR4N-78PMD-KCRQ7-83BXT-YG667
HB39N-V9K6F-P436V-KWBTC-Q3R9V
6PN82-R4BBH-XX8K2-DCK84-VMFDH
3. Windows 8.1 Pro
HN42W-QF3D6-2KM6W-C79XK-JW8XV
NGMMV-FVDXB-QP6XF-9FTRT-P7F9V
BTNJ7-FFMBR-FF9BH-7QMJ9-H49T7
G9XNM-YYY38-8R9HM-YFPTX-T8XT7
4. Windows 8.1 Enterprise
334NH-RXG76-64THK-C7CKG-D3VPT
KKPMN-469HY-H6V43-T8VX2-8W8XV
ND8P2-BD2PB-DD8HM-2926R-CRYQH
RFQ3N-4Y4XR-JY9PV-883PR-BY2KV
5. Windows 8.1 DVD
VC972-N7YXW-G9WQY-VBDP4-GXT67
4Y8N3-H7MMW-C76VJ-YD3XV-MBDKV
7TWWK-WNB2W-VRVPV-XG6RV-MBFDH
N4WY8-DVW92-GM8WF-CG872-HH3G7
6. Windows 8.1 Serial
2VTNH-323J4-BWP98-TX9JR-FCWXV
MHF9N-XY6XB-WVXMC-BTDCT-MKKG7
NTTX3-RV7VB-T7X7F-WQYYY-9Y92F
988NM-XKXT9-7YFWH-H2Q3Q-C34DH
7. Windows 8.1 Activation
84NRV-6CJR6-DBDXH-FYTBF-4X49V
TGXN4-BPPYC-TJYMH-3WXFK-4JMQH
N9C46-MKKKR-2TTT8-FJCJP-4RDG7
4NMMK-QJH7K-F38H2-FQJ24-2J8XV
উইন্ডোজকি একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ?– Is Windows Open Source Software in Bengali
না,Windows
একটি Clossed Source Software।
আমরা জানি যে Source
Code উপলব্ধতার দিক
দিয়ে software
কে দুই শ্রেণীতে
ভাগ করা হয়,
Open Source Software
Closed Source Software
Open Source Software বলতে সেই সব software কে বলা হয় যার সোর্স কোড কে যে কেউ দেখতে পারে
এবং পরিবর্তন করতে পারবে।
অর্থাৎ, যত গুলি open source software গুলি আছে তার কোডিং,প্রোগ্রামিং সমূহ কে দেখতে ও নিজের মত করে
পরিবর্তন করতে পারবে। যার সবথেকে জনপ্রিয় উদাহরণ হলো Linux Software।
অন্য দিকে,
Closed Source Software হলো ওপেন সোর্স বিপরীত
অর্থাৎ এর Source
Code কে কেউ দেখতে
পারবে না এবং এর কোড কে পরিবর্তন করা অসম্ভব।
এই ধরনের software কে Proprietary Software (মালিকানা সফটওয়্যার) বলা হয়।এর সবথেকে বড় উদাহরণ হলো Windows Software।
Windows এর কাজ কি? - Advantage of Windows
ফাইল ম্যানেজমেন্ট(File
Manager):
কম্পিউটার চালানো মানেই শুধু কাজ করা নয়—কাজের ফাইলগুলো ঠিকঠাক গুছিয়ে রাখা আরও জরুরি।
এই গুছিয়ে রাখার কাজটিই আমরা বলি ফাইল ম্যানেজমেন্ট।
যখন আপনার কম্পিউটারে অনেক গান, ভিডিও, ছবি, ডকুমেন্ট জমে যায়—তখন যদি সবকিছু এলোমেলো থাকে, আপনি কোনো দরকারি ফাইল খুঁজে পাবেন না।
তাই ফাইল ম্যানেজমেন্ট মানে হলো:
- ফাইল ও ফোল্ডারকে আলাদা করে সাজানো
- প্রয়োজন অনুযায়ী নামকরণ করা
- নির্দিষ্ট জায়গায় সংরক্ষণ করা
সফটওয়্যার ইনস্টলেশন (Software
Installation):
Windows অপারেটিং সিস্টেম আপনাকে যেকোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করার অনুমতি দেয়।
আপনি চাইলে—
- গেম ইনস্টল করতে পারেন
- অফিস অ্যাপস বসাতে পারেন
- ডিজাইন বা ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন
ইনস্টল হওয়ার পর, সেই সফটওয়্যারটি হার্ডওয়্যারের সাথে সংযুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে।
যেমন, আপনি একটি প্রিন্টিং সফটওয়্যার ইনস্টল করলে, সেটা আপনার প্রিন্টারের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করবে।
ইন্টারনেট ব্রাউসিং সুবিধা (Internet Browsing) :
Internet browser এর মানে হলো আপনি যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউসিং এর সাহায্যে যেকোনো ওয়েবসাইট এ যেতে পারেন এবং নিজের প্রয়োজন মত তথ্য,কাজ নিতে পারেন.
মাল্টিমিডিয়া প্লেব্যাক (Multimedia Playback) :
Multimedia Playback এর মানে হলো আপনি কম্পিউটার,ল্যাপটপ মত অন্য কোনো সিস্টেম দিয়ে গান,ভিডিও,ইমেজ ইত্যাদি ফাইল গুলিকে দেখতে,শুনতে পারেন.
ডকুমেন্ট ক্রিয়েশন (Document
Creation) :
Document Creation এর মানে হলো কম্পিউটার এর মধ্যে কোনো text, image, word ইত্যাদি কোনো তথ্য কে Store করে রাখার জন্য এক Electronic File তৈরী করা.
এই ধরনের ফাইল অনেক রকমের হয় যেমন, word,excel, image,graphics,project file ইত্যাদি.
ইমেইল ম্যানেজমেন্ট (e-Mail
Manager):
Windows Email পরিচালনা করা মানে আপনার
কম্পিউটারে ই-মেল ভালো ভাবে সংগঠিত করা। এর মধ্যে রয়েছে inbox দেখা,পড়া, তৈরী করা, ইমেলের উত্তর দেওয়া, ফরওয়ার্ড করা, মুছে ফেলা, ফোল্ডার তৈরি করা, ইমেল খোঁজা করা এবং ইমেল অ্যাকাউন্ট সেট আপ করা
মত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে সাহায্য করে।
Windows-এ উপলব্ধ অনেকগুলি ইমেল client রয়েছে, যেমন Outlook, Windows Mail,gmail এবং অন্যান 3 rd party ইমেল প্লাটফর্ম।
প্রিটিং (Printing) :
উইন্ডোজ প্রিন্টিং মানে আপনার কম্পিউটার থেকে
কাগজে কোনো ডকুমেন্ট,ছবি,text,বা অন্যান্য তথ্য প্রিন্ট বের করতে পারেন।
সিস্টেম আপডেট (System
Updated) :
উইন্ডোজ সিস্টেম আপডেটগুলি হল ছোট সংশোধন এবং আপনার কম্পিউটারে পরিবর্তন যা Microsoft সময়ে সময়ে প্রকাশ করে। এই আপডেটগুলি আপনার
কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখতে, নতুন বৈশিষ্ট্য যোগ করতে এবং কিছু সমস্যাগুলি সমাধান করতে সহায়তা করে৷
সিকিউরিটি (Security) :
windows security কম্পিউটার ও তার মধ্যে থাকা সমস্ত ফাইল,ফোল্ডার,software ইত্যদি গুলিকে সুরক্ষা প্রদান করে. এই software ভাইরাস,ম্যালওয়্যার থেকে সুরক্ষিত রাখে.
নেটওয়ার্কিং (Networking) :
উইন্ডোজ নেটওয়ার্কিং মানে দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে একে অপরের সাথে connect করা যাতে কম্পিউটার একে অপরের সাথে ডেটা ভাগ করতে,মেসেজ পাঠাতে এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে।
উদাহরণ: আপনার হোম ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক হল একটি উইন্ডোজ নেটওয়ার্কের উদাহরণ।
আপনার ল্যাপটপ, স্মার্টফোন এবং অন্যান্য ডিভাইস এটির সাথে
সংযুক্ত। আপনি এই ডিভাইসগুলির মধ্যে ফাইলগুলি ভাগ করতে পারেন,
ডিস্ক ক্লিনআপ (Disk
Cleanup) :
উইন্ডোজ ডিস্ক ক্লিনআপ হল এমন একটি টুল যা
আপনার কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের মধ্যে থাকা অপ্রয়োজনীয় ফাইলকে খুঁজে বের করে এবং
মুছে দেয়।এই অপ্রোজনীয় ফাইল হলো অস্থায়ী ইন্টারনেট ফাইল, ইনস্টলেশন ফাইল এবং সিস্টেম ফাইল যা আর
প্রয়োজন নেই।যেমন:
আপনি যখন ইন্টারনেট ব্রাউজ করেন, তখন আপনার কম্পিউটারে অস্থায়ী ইন্টারনেট ফাইল
তৈরি হয়। এই ফাইলগুলি সময়ের সাথে জমা হয় এবং আপনার হার্ড ডিস্কে জায়গা নিতে
পারে। ডিস্ক ক্লিনআপ এই ফাইলগুলি মুছে স্থান খালি করতে সাহায্য করে।
উইন্ডোজ ব্যাকআপ (Windows Backup):
উইন্ডোজ ব্যাকআপ হল আপনার কম্পিউটারের
গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এবং সেটিংসের একটি কপি তৈরি করা, যা আপনি পরবর্তীতে কোনো সমস্যা বা ডেটা ডিলিট
হয়ে গেলে পুনরায় সেই ডেটা নিয়ে আনতে পারেন।যেমন:
যদি আপনার কম্পিউটার খারাপ হয়ে গেলে, হার্ড ড্রাইভ নষ্ট হয়ে গেলে বা ভাইরাসের কারণে
ফাইলগুলি ডিলিট হয়ে গেলে ব্যাকআপের সাহায্যে আপনার ফাইলগুলি আবার নিয়ে
আসতে পারেন।
উপরিউক্ত সমস্ত কাজ গুলি Windows software দ্বারা করতে পারা যায়. এই windows মত অপারেটিং সিস্টেম গুলিই এই সমস্ত সুবিধা
গুলি দিয়ে থাকে যা আমাদের দৈনন্দিন অনকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারি.
ইন্টারনেট এ Windows
ছাড়া আরও অনেক
জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম আছে যেমন,macOS, Linux, Android,iOS.
এগুলির মধ্যে একমাত্র Linux হলো একটি Open Source Software.
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম কোন কোম্পানির?
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমটি মাইক্রোসফ্ট কোম্পানির তৈরি। এটি একটি আমেরিকার IT company।। মাইক্রোসফ্ট হল বিশ্বের সবচেযে বড় সফটওয়্যার কোম্পানি, এবং উইন্ডোজ তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় পণ্যগুলির মধ্যে একটি।
Windows 10 এর বৈশিষ্ট গুলি কি কি? - Features of Windows 10 in Bengla
1. স্টার্ট মেনু(Start Menu): পুরনো স্টার্ট মেনুর সাথে নতুন ডিজাইনের লাইভ টাইলস যোগ করা হয়েছে, যা সহজে নেভিগেশনের সুযোগ দেয়।
2. কোর্টানা(Cortana): একটি ভার্চুয়াল সহকারী, যা আপনার ভয়েস শুনে ওয়েব সার্চ, রিমাইন্ডার সেট, প্রশ্নের উত্তর, এবং পিসি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
3. মাইক্রোসফট এজ(Microsoft Edge): নতুন ও উন্নত ওয়েব ব্রাউজার, যা দ্রুত কাজ করে, নিরাপদ এবং উইন্ডোজের বিভিন্ন ফিচারের সাথে ভালোভাবে কাজ করে।
4. উইন্ডোজ স্টোর(Windows Store): এক জায়গায় অ্যাপস, গেমস এবং অন্যান্য সফটওয়্যার ডাউনলোড ও ইনস্টল করার সুবিধা।
5. কন্টিনিউয়াম(Continuum): (২-ইন-১ ডিভাইসের জন্য) সহজে ট্যাবলেট ও ডেস্কটপ মোডের মধ্যে পরিবর্তনের সুবিধা, যা বিভিন্ন ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।
6. উন্নত সুরক্ষা(Improved Security): উইন্ডোজ ডিফেন্ডার, উইন্ডোজ হ্যালো (বায়োমেট্রিক লগইন), এবং বিল্ট-ইন ফায়ারওয়ালের মতো ফিচার দিয়ে আপনার ডিভাইস সুরক্ষিত রাখে।
মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ সম্পর্কিত কিছু অজানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১, আপনি কি জানেন যে windows এর প্রথম নাম "Interface Manager" ছিল.যা পরবর্তী সময় এর নাম পরিবর্তন করে "Windows" রাখা হয়.
২, আগে windows system এ কোনো start button ছিলনা.পরে Windows এর সংস্করণ হওয়ার পর windows 95 এ প্রথম বার start button দেওয়া হয়.
3, যখন windows XP তৈরী করা হয় তখন এর নাম "Chelsea" দেওয়া হয়.
৪, আপনারা অনেকেই ভেবেছেন যে windows এর যে ছবি বা Logo আছে সেটি একটি জানালা. আসলে সেটি জানালা নয়.
5,
windows এর নিল রঙের screen এর colour চেঞ্জ হয়ে গেলে বা অন্য রঙের হয়ে গেলে বুঝতে
হবে যে কম্পিউটার এর কোনো হার্ডওয়্যার বা software এর কোনো প্রবলেম আছে.
৬,
windows 3.1 থেকেই windows এর activation চালু করা হয়.
7,
windows এর যত সংস্করণ করা
হয় তার মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম ওয়ালা version হলো "Windows vista Business Enterprise".
৮,
windows এর প্রথম যে version ছিল তার size 1 MB মাত্র .
৯, আমরা অনেকেই keyboard এর অনেক shortcut key ব্যবহার করে থাকি.এই সুবিধা windows 3.0 থেকে আপডেটেড করা হয়.
10, windows এর যে notepad আছে সেটি windows এর প্রথম version থেকেই আছে.
Windows 11-এর ১০টি বৈশিষ্ট্য গুলি কি কি? - Windows 11 Features in Bangla
Windows 11 আগের Windows 10-এর থেকে অনেক বেশি সুন্দর, স্মার্ট এবং সহজ। যারা প্রতিদিন কম্পিউটার ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি অনেক উপকারে আসবে। নিচে আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি—কী কী নতুন সুবিধা পেয়েছি।
১. স্টার্ট মেনু এখন মাঝখানে
আগে স্টার্ট মেনু ছিল বাঁদিকে। এখন সেটা স্ক্রিনের মাঝখানে এসেছে। দেখতে পরিষ্কার, ব্যবহারেও সহজ। অ্যাপ খুঁজে বের করতে আর কষ্ট হয় না।
২. Android অ্যাপ চালানো যায়
Windows 11-এ এখন মোবাইলের মতো Android অ্যাপ চালানো যায়। WhatsApp, Instagram-এর মতো অ্যাপ সরাসরি নামিয়ে ব্যবহার করা যায়। আলাদা সফটওয়্যার লাগে না।
৩. ডার্ক ও লাইট মোড
রাতের বেলা কাজ করলে চোখে চাপ পড়ে। তাই আমি ডার্ক মোড ব্যবহার করি। আবার দিনের বেলা লাইট মোডে সবকিছু পরিষ্কার দেখা যায়। দুই মোডই খুব সহজে বদলানো যায়।
৪. Snap Layouts দিয়ে স্ক্রিন ভাগ করা যায়
আমি একসাথে Word, Chrome আর YouTube চালাই। আগে বারবার অ্যাপ বদলাতে হত। এখন স্ক্রিন ভাগ করে সব একসাথে চালানো যায়—সময়ও বাঁচে, কাজও সহজ হয়।
৫. Teams দিয়ে ভিডিও কল সহজ
Windows 11-এ Teams আগে থেকেই আছে। Taskbar থেকে সরাসরি ভিডিও কল করা যায়। অফিসের মিটিং বা বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলা—সবই সহজ হয়েছে।
৬. কম RAM লাগে, ব্যাটারি বেশি চলে
আমার ল্যাপটপ এখন আগের চেয়ে দ্রুত চালু হয়। RAM কম লাগে, আর ব্যাটারি অনেকক্ষণ চলে। আগে ৩ ঘণ্টা চলত, এখন ৫ ঘণ্টা অনায়াসে চলে।
৭. Copilot: Windows-এর AI সহকারী
Copilot আমার লেখার কাজে সাহায্য করে। আমি যখন ব্লগ লিখি, ও আমাকে শিরোনাম সাজাতে সাহায্য করে। এটা যেন একজন বন্ধু, সবসময় পাশে থাকে।
৮. গেম খেলার জন্য নতুন সুবিধা
আমার ভাই গেম খেলে Windows 11-এ। এখন গেম দ্রুত লোড হয়, আর গ্রাফিক্স অনেক ভালো। সে বলে, “আগের থেকে অনেক মজা!”
৯. টাচস্ক্রিন ও কলম দিয়ে কাজ করা যায়
যারা ট্যাবলেট বা টাচস্ক্রিন ল্যাপটপ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য Windows 11 খুব ভালো। কলম দিয়ে লেখা, আঁকা—সবই সহজ হয়েছে।
১০. নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী
Windows 11-এ TPM 2.0 ও Secure Boot আছে। এর ফলে কম্পিউটার হ্যাক হওয়া বা ভাইরাস ঢোকার ভয় অনেক কমে গেছে।
উইন্ডোজ
অপারেটিং সিস্টেম কি? - What is Windows Operating System in Bengali
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম
(Windows Operating System ) হল একটি সফটওয়্যার, যা কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে চালাতে এবং সহজে
ব্যবহার করতে সাহায্য করে।
এটি Microsoft নামে একটি বিখ্যাত কোম্পানি তৈরি করেছে।
এই অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার যেমন: প্রসেসর, মেমোরি, হার্ডডিস্ককে এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার যেমন: ফাইল, প্রোগ্রাম ইত্যাদির মধ্যে যোগাযোগের সম্পর্ক
তৈরি করে।
Frequently Asked Questions (FAQs)
#১. উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম কি?
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম (Windows OS) হল মাইক্রোসফট কর্পোরেশন দ্বারা তৈরি একটি
জনপ্রিয় গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেম। এটি কম্পিউটার এবং বিভিন্ন ডিভাইসের
হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারকে সহজ ভাবে ব্যাবহার করতে সাহায্যে করে।
#২. উইন্ডোজ কত প্রকার ও কি কি?
মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ দুই প্রকারের,
১. Single
User Operating System
২. Multiple
User Operating System
#৩. উইন্ডোজ কি ধরনের সফটওয়্যার?
উইন্ডোজ একটি অপারেটিং সিস্টেম.
#৪. উইন্ডোজ এর কাজ কি?
একটি উইন্ডোজ এর প্রধান কাজ হলো কম্পিউটারকে পরিচালনা করা এবং সমস্ত সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার এর মধ্যে সমন্বয় করা.
#৫. উইন্ডোজ এক্সপি কোন ধরনের সফটওয়্যার?
উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP) একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) যা মাইক্রোসফট কোম্পানি
দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এটি ২০০১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
#৬. ভারতের Microsoft company এর brand ambassador কে?
Microsoft company সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো দেশে তার অপারেটিং সিস্টেমের জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ করে না।
উপসংহার
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার,মোবাইল , ল্যাপটপ যেকোনো Device –এ ব্যবহার করা হয়, এবং এর ব্যবহার খুব সহজ। আজকে এই লেখাতে উইন্ডোজ সম্পর্কে অনেক কিছু আলোচনা করা হলো যা সকলের জানা দরকার এই সিস্টেম সফটওয়্যার সম্পর্কে। আশাকরি আপনাদের এই পোস্ট ভালো লেগেছে, ধন্যবাদ।

