![]() |
| About Google Workspace in Bangla |
Google Workspace কি? এর ব্যবহার :
Google Workspace হলো গুগলের একটি Cloud-based Platform। এটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খুবই জনপ্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হয়। এই প্ল্যাটফর্মে রয়েছে একাধিক দরকারি Applications এবং Services—যেমন Gmail, Google Meet, Google Drive, Google Docs, Google Sheets এবং Google Slides।
আজকে এই লেখাতে
গুগলের এক খুব জনপ্রিয় ও ব্যবহার যোগ্য একটি পরিষেবা সম্বন্ধ্যে জনাব।Google Workspace কি? Google Workspace কোন কাজে ব্যবহার হয়?এর সুবিধা ইত্যাদি।
Google Workspace কি? - What is Google Workspace in Bangla
Google Workspace হলো একটি Digital Platform, যা বিভিন্ন কাজ এক জায়গায় এনে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এটি একটি Online Productivity এবং Collaboration Applications-এর সংকলন।
Google Workspace মূলত দলগত কাজকে সহজ করে তোলে। এর মাধ্যমে মানুষ একসাথে Documents লিখতে পারে, Sheets-এ ডেটা ম্যানেজ করতে পারে, Slides দিয়ে প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে পারে এবং সবকিছু নিরাপদে Drive-এ সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি Meet ব্যবহার করে অনলাইন মিটিং করা যায়, আর Gmail দিয়ে সহজে যোগাযোগ রাখা যায়।
এই পরিষেবাটি প্রথমে Google Apps for Your Domain নামে ২০০৬ সালে চালু হয়। পরে ২০১৬ সালে এর নাম পরিবর্তন করে G Suite রাখা হয়। অবশেষে ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর, Google নতুন বৈশিষ্ট্য এবং প্রয়োজনীয় Applications যুক্ত করে এর নাম দেয় Google Workspace।
Google Workspace-এর গুরুত্বপূর্ণ Applications হলো:
• Calendar
• Drive
• Docs
• Forms
• Chat
• Meet ইত্যাদি
Google Suite এবং Google Workspace কি?
G Suite এবং Google Workspace হলো Google-এর একই service-এর দুটি আলাদা version।
Google Workspace হলো G Suite-এর নতুন ও উন্নত version। ২০২০ সালে Google Workspace নামে G Suite-কে আনা হয়।
Google Workspace আসলে G Suite-এর আধুনিক ও উন্নত version। এতে আরও ভালো integration, নতুন feature, এবং উন্নত security রয়েছে। এগুলো ব্যবহারকারীদের কাজকে আরও সহজ ও দ্রুত করার জন্য design করা হয়েছে।
Google Workspace কি ফ্রী ?-Google Workspace Plans
Google workspace কে ব্যাবহার করার জন্য Google ১৪ দিনের জন্য Free Service দেয়।পরবর্তী সময়ে আপনাকে কিছু টাকা নেয় ।
Business Starter প্ল্যানের খরচ 136.90 প্রতি মাসে এক বছরের জন্য।
এই প্ল্যানে আপনি পাবেন:
● কাস্টম এবং সুরক্ষিত ব্যবসার ইমেইল
● ১০০ জন অংশগ্রহণকারী পর্যন্ত ভিডিও মিটিং
● প্রতি ব্যবহারকারীর জন্য ৩০ GB শেয়ারড
স্টোরেজ
● Gemini
অ্যাপ (এআই সহকারী), যা
উন্নত সিকিউরিটি এবং প্রাইভেসি প্রদান করে
● নিরাপত্তা এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ
● স্ট্যান্ডার্ড সাপোর্ট
ইন্টারনেট ছাড়া কি Google Workspace ব্যাবহার করা হয়?
হ্যাঁ, ইন্টারনেট না থাকলেও আপনি Google Workspace ব্যবহার করতে পারবেন।
Gmail Offline ফিচার দিয়ে আপনি নেট ছাড়াই আপনার ইমেইল পড়তে, রিপ্লাই দিতে, মুছতে এবং সার্চ করতে পারবেন।
Google Drive-এ রাখা ডকুমেন্টও অফলাইনে খুলে দেখা ও এডিট করা সম্ভব।
এভাবে Network না থাকলেও আপনি যেকোনো জায়গা থেকে সহজেই কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।
Google Workspace ব্যবহারের সুবিধা কী?
Google Workspace হলো এমন একটি online tools-এর সমষ্টি, যা ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজের জন্য খুবই কার্যকর। এটি ব্যবহার করে সহজে এবং দ্রুত কাজ করা যায়। নিচে এর প্রধান সুবিধাগুলো দেওয়া হলো,
• সহজ ব্যবহার
Google Workspace ব্যবহার করা খুবই সহজ। এর interface বা design এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে যে কেউ সহজে শিখে নিতে পারে।
• সহযোগিতা
Google Workspace-এর মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি একই document-এ একসাথে কাজ করতে পারে। যেমন, Google Docs-এ সবাই মিলে লিখতে, edit করতে এবং comment করতে পারে। এটি teamwork বা দলগত কাজের জন্য খুবই উপকারী।
• Mobile Access
Google Workspace-এর নিজস্ব mobile app রয়েছে। smartphone ব্যবহার করে যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে file দেখতে বা edit করতে পারবেন। এতে কাজের গতি বাড়ে।
• Integration
Google Workspace খুব সহজেই Google-এর অন্যান্য service যেমন Gmail, Google Calendar, Google Meet, Google Drive-এর সাথে সংযুক্ত হয়। এতে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হয়।
• Security
Google Workspace-এ শক্তিশালী security ব্যবস্থা রয়েছে। আপনার file এবং data নিরাপদ রাখতে এটি encryption এবং অন্যান্য security technology ব্যবহার করে। ফলে নিশ্চিন্তে কাজ করা যায়।
G Suite এবং Google Workspace এর পার্থক্য কি?
G Suite এবং Google Workspace দুটোই একই ধরনের service, যা Google ব্যবসার সুবিধার জন্য প্রদান করে।
• Google Workspace হলো G Suite-এর নতুন version।
• G Suite ছিল Google-এর প্রথম নাম, যা ব্যবসার জন্য cloud-based products সরবরাহ করত। এতে ছিল Gmail, Drive, Docs, Sheets, Slides, Calendar এবং Meet।
• Google Workspace হলো G Suite-এর নতুন version। এখানে প্রায় সমস্ত apps এক জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে।
• Google Workspace-এ বিভিন্ন tools-এর মধ্যে আরও ভালো integration রয়েছে, যা teams-দের একসাথে কাজ করার সুবিধা দেয়।
Google Workspace Apps এর তালিকা গুলি কি?
1. Google Drive
2. Gmail
3. Google Meet
4. Google Admin
5. Google Chat
6. Google Sheets
7. Google Slides
8. Google Docs
9. Google Cloud Search
10. Google Keep
11. Google Calendar
12. LumApps
13. Google Contacts
14. Google Voice
15. Google Cloud Platform
16. Google Tasks
17. Google Device Policy
18. Jamboard
19. AODocs
Gemini for Workspace কি?
Gemini for Workspace হলো একটি এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট যা আপনার কাজকে আরও সহজ এবং
দ্রুত করতে সাহায্য করে।
এর
সাহায্যে -
● Gemini
দিয়ে
ডকুমেন্ট বা ইমেইল খসড়া তৈরি, সম্পাদনা, এবং সংশোধন করা যায়।
● স্প্রেডশিটের
জন্য টেবিল বা ডাটা অর্গানাইজ করতে পারা যায়।
● স্লাইডে
যোগ করার জন্য নিজের ইচ্ছেমতো ছবি তৈরির করতে পারে।
Google Admin Account কী?
Google Admin Account হলো একটি বিশেষ Account, যা দিয়ে একটি স্কুল বা অফিসে সবার জন্য গুগলের পরিষেবাগুলো যেমন Gmail, Google Drive, Google Meet নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই অ্যাকাউন্ট সাধারণত সেই ব্যক্তির কাছে থাকে, যিনি পুরো সিস্টেম দেখাশোনা করেন।
উদাহরণ:
1. স্কুলে:
স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা আইটি শিক্ষক অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে:
সংক্ষেপে:
গুগল অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট হলো একটি "মাস্টার চাবি," যা দিয়ে অফিস বা স্কুলের জন্য গুগলের সব পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
গুগল Workspace এবং গুগল One-এর পার্থক্য কি?
অনেকে Google Workspace আর Google One-কে এক মনে করেন, কিন্তু এগুলো আলাদা।
Google Workspace ব্যবসা বা টিমের জন্য। এতে কাস্টম ডোমেইন ইমেইল ব্যবহার করা যায় এবং টিম মেম্বারদের সাথে Shared, Storage ও Meeting ফিচার থাকে।
Google One হলো ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য। এটি শুধু Cloud Storage বাড়ানোর সুবিধা দেয় যেমন ১০০GB থেকে ৩০TB পর্যন্ত। এখানে Custom Email বা টিম সহযোগিতা নেই।
Google Workspace Bangla Meaning?
Google Workspace-এর অর্থ বাংলা মানে হলো "গুগল কর্মক্ষেত্র"।
গুগল ওয়ার্কস্পেস হলো গুগলের তৈরি একসেট ক্লাউড-ভিত্তিক টুলস এবং সার্ভিস, যেগুলো মূলত ব্যবসায়, শিক্ষা বা ব্যক্তিগত কাজ ব্যাবহার করা হয়।
১। জিমেইল (Gmail)
২। গুগল ড্রাইভ (Google Drive)
৩। গুগল ডক্স, গুগল শিটস, গুগল স্লাইডস (Google Docs, Sheets, Slides)
৪। গুগল মিট (Google Meet)
৫। গুগল ক্যালেন্ডার (Google Calendar)
৬। গুগল চ্যাট (Google Chat)
Google Admin Account দিয়ে কি কাজ হয় ?
Google Admin Account হলো একটি বিশেষ টুল, যেটি Google Workspace ম্যানেজ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
এটি শুধুমাত্র Admin বা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ব্যবহার করতে পারেন। এই Account দিয়ে নতুন ব্যবহারকারী Add বা Remove করা, Permission ঠিক করা, Security নিয়ন্ত্রণ করা এবং পুরো Google Workspace সহজে পরিচালনা করা যায়।
Google Admin Account দিয়ে ১০টি কাজ
গুগল অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট দিয়ে ১০টি কাজ যেগুলো করা যায়:
1. নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি:
স্কুল
বা অফিসের শিক্ষার্থী, শিক্ষক
বা কর্মীদের জন্য নতুন গুগল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা।
2. পুরোনো অ্যাকাউন্ট মুছা:
যারা আর প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করছে না, তাদের অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা।
3.
পরিষেবা
চালু বা বন্ধ করা:
Gmail, Google Drive, Google Meet ইত্যাদি ব্যবহার চালু বা বন্ধ করা।
4. Password ঠিক করা:
কেউ Password ভুলে গেলে সেটি পুনরায় সেট করা।
5.
নিরাপত্তা
বাড়ানো:
অ্যাকাউন্টের জন্য দুই স্তরের সুরক্ষা (2FA) চালু করা এবং তথ্য সুরক্ষিত রাখা।
6. Debice নিয়ন্ত্রণ:
মোবাইল ও কম্পিউটারের মাধ্যমে কে কী ব্যবহার করবে তা নিয়ন্ত্রণ করা।
7. Storage নিয়ন্ত্রণ:
Google Drive-এ কে কতটা জায়গা (storage) ব্যবহার করতে পারবে তা ঠিক করা।
8.
গ্রুপ
তৈরি করা:
অফিস বা ক্লাসের জন্য আলাদা গ্রুপ বা টিম তৈরি করা।
9.
বিলিং
ও পেমেন্ট ম্যানেজ করা:
গুগল পরিষেবার জন্য বিল ও পেমেন্ট পরিচালনা করা।
10.
ডেটা
সুরক্ষিত রাখা:
হারিয়ে
যাওয়া ডেটা পুনরুদ্ধার করা বা ব্যাকআপ রাখা।
এক কথায়,
গুগল অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট একটি প্রতিষ্ঠানকে গুগলের সব পরিষেবা সহজে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার ক্ষমতা দেয়।
Google Workspace ব্যবহার কারীর সংখ্যা কত?
Google Workspace হল অনলাইনে কাজ করার জন্য একটি সহজ এবং কার্যকর সেবা, যেখানে জিমেইল, ডকস, শিটস, স্লাইডস, ক্যালেন্ডার, মিট, চ্যাট এবং ড্রাইভের মতো টুল রয়েছে।
● এপ্রিল ২০২৩ পর্যন্ত প্রতি মাসে ৩ বিলিয়নের অর্থাৎ ৩০০ কোটি বেশি
মানুষ এটি ব্যবহার করে।
● Google Workspace Software মার্কেটে ৫০% এর বেশি শেয়ার ধরে রেখেছে।
● ১৪.৫
মিলিয়নের বেশি ওয়েবসাইট এটি ব্যবহার করে, যা মাইক্রোসফট ৩৬৫ থেকে অনেক
বেশি।
● ৯
মিলিয়নের বেশি প্রতিষ্ঠান টাকা দিয়ে এই সেবা ব্যবহার করে।
● এর অ্যাপ ৫ বিলিয়নের বেশি লোক অ্যাপ ডাউনলোড করেছে।
গুগল
ওয়ার্কস্পেস খুব জনপ্রিয় কারণ এটি সহজ, দ্রুত এবং যেকোনো ডিভাইস থেকে
ব্যবহার করা যায়।
গুগল একাউন্ট কয় প্রকার ও কি কি?
Google Account মূলত দুই ধরনের হয়,
১. পার্সোনাল অর্থাৎ ব্যক্তিগত Google অ্যাকাউন্ট:
এটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়।
এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে Gmail, Google Drive, YouTube, Google Maps-এর মতো বিনামূল্যের সেবা পাওয়া যায়।
উদাহরণ:
আপনি যদি নিজের ব্যক্তিগত ছবি Google Drive-এ সংরক্ষণ করতে চান বা YouTube-এ ভিডিও দেখতে চান, তাহলে পার্সোনাল Google অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন।
২. Google Workspace অ্যাকাউন্ট:
এটি ব্যবসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অন্যান্য সংগঠনের জন্য তৈরি।
এতে উন্নত সিকিউরিটি, বেশি স্টোরেজ, এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের মতো অতিরিক্ত সুবিধা থাকে।
Gmail, Google Drive, Google Docs, Google Sheets, Google Slides-এর মতো প্রোডাকটিভিটি টুলস অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ:
যদি কোনো অফিস তাদের কর্মচারীদের জন্য আলাদা অফিসিয়াল ইমেল ঠিকানা (employee@company.com) ও ফাইল ব্যবস্থাপনার জন্য Google Drive ব্যবহার করে, তাহলে তারা Google Workspace ব্যবহার করে।
গুগল সুইট কি? - Google Suite Meaning
Google Suite হলো গুগলের তৈরি একটি অনলাইন টুলস-এর প্যাকেজ, যেটি অফিসের কাজ, পড়াশোনা, কিংবা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ণ একটি অনলাইন টুল।
বর্তমানে গুগল সুইট (Google Suite) কে গুগল ওয়ার্কস্পেস (Google workspace) নামে পরিচিত।
Google workspace ও Google account এর পার্থক্য কি?
Google Workspace এবং Google Account: পার্থক্য
Google Workspace এবং Google Account দুটোই গুগলের পরিষেবা, তবে এদের উদ্দেশ্য এবং ব্যবহার আলাদা।
Google Account (গুগল অ্যাকাউন্ট)
1. Google Account তৈরি করতে কোনো খরচ হয় না। এটি বিনামূল্যে Gmail, Google Drive, Google Docs, Google Sheets, এবং Google Slides-এর মতো পরিষেবা প্রদান করে।
2. ব্যক্তিগত কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন ইমেইল পরিচালনা, ফাইল সংরক্ষণ, এবং ব্যক্তিগত প্রকল্পের জন্য ডকুমেন্ট তৈরি করা।
3. এতে বেসিক ফিচার এবং সীমিত স্টোরেজ স্পেস থাকে।
Google Workspace (গুগল ওয়ার্কস্পেস)
1.এটি সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক পরিষেবা, একে ব্যবহার করার জন্য প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়।
2. ব্যবসা বা সংস্থার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে প্রোডাক্টিভিটি এবং সহযোগিতা বাড়ানো যায়।
3. এতে উন্নত ফিচার যেমন বেশি স্টোরেজ, কাস্টম ইমেইল ডোমেইন @company.com, উন্নত সিকিউরিটি এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কন্ট্রোল।
4. একটি ছোট ব্যবসা Google Workspace সাবস্ক্রাইব করেছে পেশাদার ইমেইল ঠিকানা, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, এবং কাস্টমার ডেটা সুরক্ষিতভাবে পরিচালনা করতে পারবে।
Google Account হলো ব্যক্তিগত কাজের জন্য একটি সাধারণ টুলবক্স, আর Google Workspace হলো ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য একটি পেশাদার টুলকিট।
আপনার প্রয়োজন এবং ব্যবহারের উপর নির্ভর করবে আপনি কোনটি বেছে নেবেন।
গুগল ক্লাউড প্রকল্প কি? Google Cloud project কি?
গুগল ক্লাউড প্রকল্প অর্থাৎ Google Cloud Projects হল একটি গুরুত্বপূর্ণ এক অনলাইন টুল যা Google Cloud-এ আপনার সব গুরুত্বপুর্ণ তথ্য রাখার জায়গা।
এটা একটা কন্টেনার যেখানে আপনি ক্লাউডে কাজ করার জন্য বিভিন্ন রিসোর্স যেমন কম্পিউটার, ডেটাবেস, স্টোরেজ ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।
Google Cloud প্রকল্পের উদাহরণ হলো,
ধরা যাক, আপনি একটি ই-কমার্স কোম্পানি চালাচ্ছেন। আপনার কাজের জন্য একটি Google Cloud প্রকল্প তৈরি করতে পারেন। এই প্রকল্পের মধ্যে বিভিন্ন রিসোর্স থাকবে, যেমন:
1. Virtual Machine (VM): আপনার ওয়েবসাইটের জন্য সার্ভার তৈরি করতে।
2. DataBase: গ্রাহকদের অর্ডার, পেমেন্ট, এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করতে।
3. Storage: পণ্যের ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য ফাইল সংরক্ষণ করতে।
4. API: গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বিভিন্ন সেবা (যেমন পেমেন্ট গেটওয়ে) ব্যবহার করতে।
এভাবে, আপনার সমস্ত কাজ এবং রিসোর্স একটি Google Cloud প্রকল্পের মধ্যে থাকবে, যা আপনাকে সহজে আপনার ব্যবসা পরিচালনা করতে সাহায্য করবে।
Google workspace কি কি পরিষেবা দেয়?
Google Workspace হল একটি অনলাইন টুলস-এর সেট, যা অফিসের কাজ গুলো সহজ করে। এর প্রধান সেবাগুলো:
1. যোগাযোগ ও মিটিং করার জন্য:
Gmail: অফিস ইমেইল।
Google Chat: তাত্ক্ষণিক মেসেজিং।
Google Meet: ভিডিও মিটিং।
Google Calendar: মিটিং বা ইভেন্ট শিডিউল।
2. কাজ ও সহযোগিতা করতে:
Google Docs: ডকুমেন্ট তৈরি।
Google Sheets: স্প্রেডশীট ও হিসাব।
Google Slides: প্রেজেন্টেশন।
Google Forms: ফর্ম বা সার্ভে।
3. ফাইল সংরক্ষণ:
Google Drive: ফাইল জমা ও শেয়ার।
4. অন্যান্য টুলস:
Google Sites: সহজ ওয়েবসাইট।
Google Keep: নোট নেওয়া।
Google Vault: ডেটা সংরক্ষণ।
এই টুলগুলো দিয়ে আপনি সহজে এক গ্রুপ করে কাজ করতে পারেন এবং তাকে শেয়ারও করতে পারেন।
মোবাইলে কীভাবে Google workspace ব্যাবহার করা হয়?
আপনার মোবাইল ডিভাইসে Google Workspace ব্যবহার করা খুবই সহজ। এখানে ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
১. মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন:
Google Play Store (অ্যান্ড্রয়েড) অথবা App Store (iOS) থেকে Google Workspace এর প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলি ডাউনলোড করুন। এই অ্যাপগুলো হলো:
Gmail
Google Calendar
Google Drive
Google Docs
Google Sheets
Google Slides
Google Meet
Google Chat
২. ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ব্যবহার করুন:
আপনার মোবাইলের ব্রাউজার দিয়ে সরাসরি Google Workspace এর সেবাগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।
Google Workspace মোবাইলে ব্যবহার করার সুবিধা:
যেকোনো জায়গা থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করুন এবং সহযোগিতা করুন।
মেইলের উত্তর দিন, মিটিং শিডিউল করুন, ডকুমেন্ট সম্পাদনা করুন—সবকিছু ডেস্ক ছাড়াই।
আপনার ফাইলগুলো যেকোনো ডিভাইস থেকে দেখতে ও আপনার টিমের সাথে কাজ করতে পারবেন।
Google Workspace ব্যবহারের ১০টি সুবিধা কি কি?
গুগল ওয়ার্কস্পেস (Google Workspace) হলো ব্যবসা, অফিস বা টিমের জন্য একটি স্মার্ট টুলস সেট। নিচে সহজ ভাষায় এর ১০টি প্রধান সুবিধা দেওয়া হলো –
১. একসাথে কাজ করার সুবিধা –
Google Docs, Sheets ও Slides-এ একাধিক ব্যক্তি একই সময়ে কাজ করতে পারে এবং সহজে ফাইল শেয়ার করা যায়।
২. পেশাদার Email Service–
Gmail-এ নিজের ডোমেইন ব্যবহার করে প্রফেশনাল ইমেইল তৈরি করা যায়।
৩. Chat ও Video Meeting –
Google Chat এবং Meet দিয়ে দ্রুত মেসেজ পাঠানো, ভিডিও কল ও স্ক্রিন শেয়ার করা যায়।
৪. সময় ও কাজ Managment –
Calendar, Tasks ও Keep দিয়ে সময় পরিকল্পনা ও টাস্ক ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়।
৫. নিরাপত্তা সুরক্ষা –
ডাটা এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ও Admin Control ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট ও ডিভাইস নিরাপদ রাখা যায়।
৬. বিভিন্ন ব্যবসার জন্য উপযোগী –
ছোট থেকে বড় সব ধরনের ব্যবসার জন্য সাশ্রয়ী প্ল্যান ও খরচে সহজে ব্যবহার করা যায়।
৭. ফিডব্যাক ও মিটিং সুবিধা –
Google Forms দিয়ে গ্রাহকের ফিডব্যাক নেওয়া যায় এবং Google Meet দিয়ে অনলাইন মিটিং করা যায়।
৮. ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা –
Google Drive-এ সব ডকুমেন্ট ও ফাইল সুরক্ষিতভাবে এক জায়গায় সংরক্ষণ করা যায়।
৯. যেকোনো ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস –
ইন্টারনেট থাকলেই মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ফাইল দেখা ও এডিট করা সম্ভব।
১০. অন্য সার্ভিসের সাথে ইন্টিগ্রেশন –
Google-এর অন্যান্য অ্যাপস এবং 3rd party টুলসের সাথে সহজে কাজ করা যায়।
এক কথায়, গুগল ওয়ার্কস্পেস দিয়ে টিমওয়ার্ক, ডাটা সিকিউরিটি, মিটিং, ইমেইল এবং ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট – সব কিছু এক জায়গায় করা যায়, যা ব্যবসাকে আরও স্মার্ট ও দ্রুতগতির করে তোলে।
Workspace কি শেয়ার করা হয় ?
হ্যাঁ, আপনি গুগল ওয়ার্কস্পেসে অন্যদের সাথে বিষয়বস্তু শেয়ার করতে পারেন:
ফাইল শেয়ার করা
আপনি গুগল ড্রাইভ, ডকস, শিটস, স্লাইডস এবং সাইটস এ ফাইলগুলো একসাথে একাধিক মানুষের সাথে শেয়ার করতে পারেন গুগল গ্রুপ ব্যবহার করে।
ওয়ার্কস্পেস মানে কি?
"ওয়ার্কস্পেস" একটি শব্দ যাকে ব্যাবহার করা হয় সেই স্থানকে যেখানে আপনি কাজ করেন,।
যেমন , অফিসে আপনার ডেস্ক। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি আপনার কাজ করতে বসেন বা কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু থাকে।
"Google Workspace" শব্দটি একরকম ডিজিটাল ওয়ার্কস্পেস। ঠিক যেমন একটি অফিসে আপনার ডেস্কে আপনি কাজ করেন, Google Workspace-এ আপনি অনলাইনে আপনার কাজ করতে পারেন।
এখানে আপনি ইমেইল পাঠানো, ডকুমেন্ট তৈরি করা, স্প্রেডশীট তৈরি করা, মিটিং করা, এবং আরও অনেক কিছু করতে পারেন, সবকিছু একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে।
Google Workspace আসলে একটি অনলাইন "কর্মক্ষেত্র" বা ডিজিটাল ওয়ার্কস্পেস, যেখানে আপনি এবং আপনার টিম সদস্যরা একসাথে কাজ করতে পারেন, তথ্য শেয়ার করতে পারেন, এবং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।


