![]() |
| What is Antivirus Software |
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কি? এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের উদাহরন ২০২৫:
কিন্তু অনেক Hacker আছে যারা Virus, Malware, আর Spyware ব্যবহার করে আমাদের তথ্য চুরি করে। এর ফলে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয় এবং আমরা বিপদে পড়ি।
এই পরিস্থিতিতে, এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার আমাদের ডিভাইসগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করে। এন্টিভাইরাস এমন একটি প্রোগ্রাম যা আপনার কম্পিউটারে লুকিয়ে
থাকা ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার খুঁজে বের করে এবং সেগুলো মুছে ফেলে।
আজ এই লেখাতে আপনাদের Antivirus সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য
যেমন Antivirus কি? Antivirus Software কি? এন্টিভাইরাস কত প্রকার? android এর জন্য সেরা এন্টিভাইরাস কি,
কম্পিউটার জন্য এন্টিভাইরাস কোন গুলি ইত্যাদি। আশাকরি এই পোস্ট থেকে এন্টিভাইরাস থেকে অনেক কিছু জানতে পারবেন।
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কি? – What is Antivirus Software in Bengali
Antivirus Software হলো এমন একটি Software বা Program যা Computer, Laptop, Mobile বা অন্য Device কে Virus, Malware, Spyware এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক Program এর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
এটি Computer এ থাকা File, Folder এবং Program গুলোকে Scan করে। যদি কোনো Virus বা ক্ষতিকারক উপাদান খুঁজে পায়, তাহলে সেটি Delete করে বা Block করে দেয়।
সহজভাবে বলতে গেলে, Antivirus হলো আপনার Device এর জন্য একটি "সুরক্ষা গার্ড," যা Virus থেকে আপনার Device কে নিরাপদ রাখে, যাতে Computer ভালোভাবে কাজ করতে পারে।
Antivirus এক ধরনের কি?
Antivirus হলো এক ধরনের Cyber Security Software, যার কাজ হলো আপনার Computer, Mobile বা অন্য Device কে ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা দেওয়া। এই ক্ষতিকর প্রোগ্রামগুলোকে Malware বলা হয়, যার মধ্যে Virus, Worm, Trojan ইত্যাদি থাকে।
Antivirus Software এসব Malware খুঁজে বের করে, মুছে দেয় এবং ভবিষ্যতে যেন Device আক্রান্ত না হয়, সে জন্য আগেই সতর্ক করে।
● আরও পড়ুন: সফটওয়্যার কাকে বলে?
Antivirus কত প্রকার ও কি কি? - Types Of Antivirus in Bangla
Antivirus সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়ঃ
- Standalone Antivirus
- Internet Security Antivirus
- Total Security Antivirus
তবে, নির্দিষ্ট কাজের দিক দিয়ে Virus আবার ১০ ধরনের হতে পারে, যেমনঃ
- Spyware Scanner
- Machine Learning Antivirus
- Database Antivirus
- Malware Remover
- Email Antivirus
- Real-Time Antivirus
- On-Demand Antivirus
- Heuristic Antivirus
- Internet Security Suite
- Portable Antivirus
আপনার প্রয়োজন এবং ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী আপনি যেকোনো Antivirus Software বেছে নিতে পারেন।
- যদি আপনি নিয়মিত Email ব্যবহার করেন, তবে Email Antivirus সবচেয়ে দরকারি।
- আবার, সবসময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান করার জন্য Real-Time Antivirus ভালো পছন্দ হতে পারে।
আরও পড়ুন : এন্টিভাইরাস কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করবেন যেভাবে
Antivirus Software কি কি পদ্ধতিতে ভাইরাস শনাক্ত করে? How Antivirus Software Detect Virus in Bengali
Antivirus Software বিভিন্ন ধরনের Virus সনাক্তকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করে। নিচে ছয়টি সাধারণ পদ্ধতি আপনাদের বলি,
1. সিগনেচার-ভিত্তিক সনাক্তকরণ (Signature-Based Detection)
● এই পদ্ধতিতে অ্যান্টিভাইরাস
এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা ভাইরাসের "সিগনেচার" বা আলাদা
চিহ্ন শনাক্ত করে।
● সাধারণত,প্রতিটি ভাইরাসের নিজস্ব
একটি কোড বা ডেটা থাকে, যা তাকে সমস্ত ভাইরাস থেকে
আলাদা করে চিনতে সাহায্য করে।
● এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারগুলো এই চিহ্নগুলো আগে থেকেই সংরক্ষিত করে রাখে।
● যখন কোনো ফাইল বা ফোল্ডার ভাইরাসের জন্য স্ক্যান করা
হয়, তখন অ্যান্টিভাইরাস এই
চিহ্নের সাথে মেলানোর চেষ্টা করে।
● যদি কোনো ফাইলের চিহ্ন
ভাইরাসের চিহ্নের সাথে মিলে যায়, তাহলে সেটিকে ক্ষতিকারক বলে ধরা হয় এবং তাকে
ব্লক করে দেয় না মুছে ফেলে।
● এটি একটি সহজ এবং কার্যকর উপায়, তবে এটি কেবল পূর্বে চিহ্নিত ভাইরাস শনাক্ত করতে পারে। নতুন ভাইরাসের জন্য এটি ততটা কার্যকর নয়।
2. Heuristic-Based Detection
হিউরিস্টিক-ভিত্তিক সনাক্তকরণ
হিউরিস্টিক-ভিত্তিক সনাক্তকরণ এমন একটি
পদ্ধতি, যেখানে অ্যান্টিভাইরাস নতুন বা পরিবর্তিত
ভাইরাস খুঁজে বের করতে বিশেষ অ্যালগরিদম ব্যবহার করে।
● এই পদ্ধতিতে ভাইরাসের আচরণ বা কার্যকলাপ
দেখে বুঝতে চেষ্টা করে, যে সেটা ক্ষতিকারক কি না।
● আগে থেকে পরিচিত না হলেও, যদি কোনো ফাইলের আচরণ ভাইরাসের মতো মনে
হয়, তবে এটি সেটিকে সনাক্ত করতে পারে।
● এই পদ্ধতিতে কোনো পুরোনো ভাইরাসের নতুন সংস্করণও হলেও তা চিনতে পারে।
● আগে দেখা যায়নি এমন ম্যালওয়্যারও কে
জানতে পারে।
তবে, কখনো কখনো নিরাপদ প্রোগ্রামকেও ভুল করে ভাইরাস হিসেবে শনাক্ত করে নেয় একে False Positive বলে।
বিহেভিয়ার-ভিত্তিক
সনাক্তকরণ এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে এন্টিভাইরাস কমপিউটারের মধ্যে বা
প্রোগ্রামের
আচরণ বা কার্যকলাপ দেখে বুঝতে পারে যে সেটি ক্ষতিকারক কি না।
● যদি কোনো প্রোগ্রাম
অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক মত কাজ করে, যেমন:
● অনেক ফাইল একসাথে মুছে ফেলা,
● নিজ থেকে কোনো কী-বোর্ডে কী
চাপা হচ্ছে কি না,
● অন্য প্রোগ্রামের সেটিং
পরিবর্তন হওয়া ইত্যাদি।
তখন এন্টিভাইরাস সেটিকে
ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে।
এতে নতুন বা অপরিচিত ভাইরাসও এই পদ্ধতিতে ধরা পড়তে পারে।
বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে
নতুন ম্যালওয়্যার তৈরি হচ্ছে, যা সবগুলোকে দ্রুত চিহ্নিত করা খুব কঠিন। তাই
এই সমস্যার সমাধানে জন্য অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানিগুলো ক্লাউড বিশ্লেষণ পদ্ধতি
ব্যবহার করে।
এক্ষেত্রে,
● যখন আপনার কম্পিউটার বা ফোনে
সন্দেহজনক কোনো ফাইল পাওয়া যায়, তখন এন্টিভাইরাস সেটিকে কোম্পানির সার্ভারে
বা ক্লাউডে পাঠায়।
● সেই সার্ভারে থাকা শক্তিশালী
সফটওয়্যার এবং বিশেষজ্ঞরা ফাইলটি বিশ্লেষণ করে।
● যদি ফাইলটি ক্ষতিকারক মনে হয়, তখন তারা সেই ভাইরাসের জন্য একটি নতুন সিগনেচার তৈরি
করে।
● এই সিগনেচারটি সব ডিভাইসে
পাঠানো হয়, যাতে ভবিষ্যতে এই ভাইরাস
সহজে চিহ্নিত করা যায়।
● এতে বিশাল পরিমাণ ডেটা দ্রুত
বিশ্লেষণ করা যায় এবং কম্পিউটারের রিসোর্স কম ব্যবহার হয়, কারণ ফাইল বিশ্লেষণের কাজ
ক্লাউডে করা হয়।
এতে নতুন ম্যালওয়্যার দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব।তবে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া এই পদ্ধতি কাজ করে না।
স্যান্ডবক্স বিশ্লেষণ হলো
এমন একটি পদ্ধতি যেখানে সন্দেহজনক কোনো ফাইল বা প্রোগ্রামকে প্রথমে একটি নিরাপদ ও
আলাদা পরিবেশে বা আলাদা জায়গায় পরীক্ষা করা হয়।
● যখন কোনো ফাইল সিস্টেমে
ঢুকতে চায়, তখন সেটিকে সরাসরি চালানোর
পরিবর্তে স্যান্ডবক্স নামে একটি ভার্চুয়াল জায়গায় , যাকে নকল পরিবেশেও বলা হয় সেখানে চালানো হয়।
● সেখানে ফাইলটির আচরণ দেখা
হয়, যেমন:
এটি কী ধরনের কাজ করছে।
● এটি সিস্টেমের কোনো ক্ষতি
করতে চাচ্ছে কি না।
কাজের ধরন কেমন ইত্যাদি।
● যদি ফাইলটি নিরাপদ হয়, তখন সেটিকে আসল সিস্টেমে ঢুকতে দেওয়া হয়।
● যদি ক্ষতিকারক হয়, তাহলে সেটিকে ব্লক করা হয়।
এরফলে, আসল সিস্টেম সুরক্ষিত থাকে, কারণ ক্ষতিকারক ফাইল স্যান্ডবক্সে পরীক্ষা করা হয়।
● নতুন বা অজানা ম্যালওয়্যার
চিহ্নিত করা হয়।
তবে, এটি ফাইল বিশ্লেষণ করতে কিছুটা সময় নিতে পারে এবং স্যান্ডবক্স চালানোর জন্য বাড়তি রিসোর্স প্রয়োজন হয়।
6. Host Intrusion Prevention System (HIPS)
হোস্ট ইনট্রুশন প্রিভেনশন সিস্টেম পদ্ধতি
HIPS এমন একটি পদ্ধতি, যা আপনার সিস্টেমের প্রতিটি কাজ বা কার্যকলাপকে
খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে।
● একটি কম্পিউটার বা কোনো
সিস্টেমে যা কিছু চলছে,
HIPS তা
মনোযোগ দিয়ে দেখে।
● যদি কোনো সন্দেহজনক কাজ বা
আচরণ দেখতে পেলে যেমন, ফাইল বদলানো, সিস্টেম সেটিং পরিবর্তন মত
ইত্যাদি কোনো অস্বাভাবিক কিছু হলে এটি সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরকে জানায়।
● তারপর আমাদেরকে সিদ্ধান্ত
নিতে বলে যে,
কাজটি চালিয়ে যাবার অনুমতি
দেবেন, নাকি ব্লক করবেন।
এই নিয়মে, সিস্টেম সবসময় সতর্ক থাকে।
নতুন বা অজানা হুমকিও সহজে ধরা পড়ে এবং আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
তবে, খুব বেশি নোটিফিকেশন দিলে
আমাদের বিরক্ত লাগতে পারে এবং ভুল সিদ্ধান্ত নিলে সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হতে
পারে।
● আরও পড়ুন: ইউটিলিটি সফটওয়্যার কাকে বলে? উদাহরন
প্রথম Antivirus নাম কি? - First Antivirus Name
প্রথম অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম হলো "Reaper Antivirus"। এটি ১৯৭০-এর দশকে তৈরি করা হয়েছিল। যা কম্পিউটারের মধ্যে থাকা ভাইরাসকে খুঁজে মুছে ফেলে।
Antivirus সফটওয়্যারের ১০টি কাজ কি কি?
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের কাজ গুলি হলো -
1. ভাইরাস অপসারণ: সিস্টেম থেকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, এবং স্পাইওয়্যার মুছে ফেলা।
2. সুরক্ষা প্রদান: অনলাইন প্রতারণা এবং হ্যাকিং থেকে রক্ষা করা।
3. রিয়েল-টাইম প্রটেকশন: ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময় তাৎক্ষণিক সুরক্ষা।
4. ফায়ারওয়াল সুরক্ষা: অননুমোদিত নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস বন্ধ করা।
5. ইমেইল সুরক্ষা: সন্দেহজনক ইমেইল এবং সংযুক্তি ব্লক করা।
6. পাসওয়ার্ড সুরক্ষা: পাসওয়ার্ড ম্যানেজার এবং নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য প্রদান।
7. ডিভাইস স্ক্যান: কম্পিউটার এবং মোবাইল পুরোপুরি স্ক্যান করা।
8. ডেটা ব্যাকআপ: গুরুত্বপূর্ণ ডেটার নিরাপদ ব্যাকআপ রাখা।
9. নিরাপদ ব্রাউজিং: ফিশিং ওয়েবসাইট থেকে সুরক্ষা।
10. পিসি পারফরম্যান্স উন্নতি: অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে সিস্টেম দ্রুত করা ।
মোবাইলের জন্য সেরা ১০টি Antivirus Apps - Top Antivirus Apps for Android
২০২৫ সালে জনপ্রিয় কিছু অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ গুলির মধ্যে হলো
![]() |
| Top Antivirus Apps |
1. Bitdefender Mobile Security:
2. Norton Mobile Security:
3. AVG Antivirus:
4. ESET Mobile Security:
5. Avast Antivirus:
6. McAfee Mobile Security:
7. Kaspersky Mobile Antivirus:
8. Trend Micro Mobile Security:
9. Avira Antivirus Security:
10. TotalAV Antivirus
Bitdefender Mobile Security — দ্রুত ও হালকা, শক্তিশালী Malware Scanner, VPN, এবং App Behavior Monitoring সুবিধা দেয়।
- Norton Mobile Security — Real-Time Scan, Phishing Protection, এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরির সুরক্ষা দেয়।
- Kaspersky Mobile Antivirus — Malware Detection, App Lock, এবং Anti-Theft Feature রয়েছে।
- McAfee Mobile Security — Malware Scan, চুরি প্রতিরোধ এবং Performance Optimization এর জন্য উপযোগী।
- Avast Antivirus — Firewall, VPN এবং Privacy Management এর জন্য জনপ্রিয়।
- AVG Antivirus — Malware Protection এবং App Scan করার সুবিধা রয়েছে।
- ESET Mobile Security — Real-Time Scan এবং Phishing Protection সুবিধা দেয়।
- Trend Micro Mobile Security — AI-based Web Protection এবং শক্তিশালী সুরক্ষার জন্য পরিচিত।
- Avira Antivirus Security — হালকা ওজনের, VPN এবং Privacy Monitoring Feature সহ।
- TotalAV Antivirus — Malware Scan, Device Optimization এবং VPN সুবিধা দেয়।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক Antivirus App বেছে নিলে ফোনকে নিরাপদ রাখা অনেক সহজ হবে।
২০২৬ সালে সবচেয়ে ভালো Computer Antivirus কোনটি? - Best Antivirus for PC in 2026
২০২৫ সালে সবচেয়ে ভালো
কম্পিউটার এন্টিভাইরাস এর তালিকা দিলাম যা কার্যকারিতা, বৈশিষ্ট্য, এবং ব্যবহারকারীদের রিভিউয়ের
ভিত্তিতে বাছাই করা। সেগুলি হলো
![]() |
| Best Antivirus for PC |
1. Norton 360
2. Avast Premium Security
3. McAfee Total Protection
4. Kaspersky Internet
Security
5. Trend Micro Antivirus+
6. Bitdefender Total
Security
7. Surfshark Antivirus
8. TotalAV
9. ESET Internet Security
10. Sophos Home Premium
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের
উদ্ভাবক কে ?
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের
উদ্ভাবক হিসেবে সর্ব প্রথম
ফ্রেড
কোহেন (Fred
Cohen) এর
নাম ধরা হয়।
১৯৮৩ সালে ফ্রেড কোহেন প্রথম
"কম্পিউটার ভাইরাস" শব্দটি ব্যবহার করেন এবং ভাইরাসের জন্য প্রতিরোধমূলক
ব্যবস্থা তৈরির ক্ষেত্রে এন্টিভাইরাস জন্য ধারণা দেন।
তার গবেষণার মাধ্যমে, এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের
ভিত্তি স্থাপিত হয়।
তবে, প্রথম কার্যকরী
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার তৈরি করেন জন ম্যাকাফি (John McAfee)। তিনি ১৯৮৭ সালে McAfee নামক একটি কোম্পানি
প্রতিষ্ঠা করেন এবং এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার তৈরি করেন এবং আজও সেই কোম্পানী
নামে জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস, অ্যাপস আছে।
Antivirus কী কাজ করে? বা কেনো Antivirus ব্যাবহার করা উচিৎ বা Antivirus ব্যাবহারের সুবিধা কি?
এন্টিভাইরাস কী কাজ করে? বা কেনো এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করা উচিৎ এর উত্তরে এটা বলতে পারি যে, এন্টিভাইরাস এমন একটি সফটওয়্যার যা আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার, এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
এন্টিভাইরাস কি কাজে
ব্যাবহার হয় তা নিচে ব্যাখ্যা করে জানাই,
1. ভাইরাস শনাক্ত করা: এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার পরিচিত ভাইরাস এবং
ম্যালওয়্যারের সিগনেচার (বিশেষ চিহ্ন) দিয়ে স্ক্যান করে এবং ক্ষতিকারক ফাইল বা
প্রোগ্রাম সনাক্ত করে তাকে মুছে ফেলে বা ব্লক করে দেয়।
2. রিয়েল-টাইম প্রটেকশন: এটি আপনার ডিভাইসের প্রতিটি কার্যকলাপকে বিশ্লেষণ করে
দেখে এবং কোনো সন্দেহজনক আচরণ দেখা দিলে আমাদের
সতর্ক করে দেয়।
3. ফাইল পরিষ্কার করা: যদি কোনো ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সনাক্ত হয়, এন্টিভাইরাস তা মুছে ফেলতে বা কোয়ারেন্টাইনে রাখতে সাহায্য করে।
4. আপডেট করা: এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নতুন ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত আপডেট হয় থেকে।
এইভাবে, এন্টিভাইরাস আমাদের কম্পিউটার বা মোবাইলের সুরক্ষিত করে রাখে এবং সেগুলোকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার থেকে রক্ষা করে।
Antivirus কি System Software?
না, এন্টিভাইরাস একটি সিস্টেমসফটওয়্যার নয়। এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
এন্টিভাইরাস হলো এমন একটি
সফটওয়্যার যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে
রক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়। এটি সিস্টেম সফটওয়্যারের কাজ করে না, কারণ সিস্টেম সফটওয়্যার
(যেমন: অপারেটিং সিস্টেম) কম্পিউটারের বেসিক কাজ গুলো করে থাকে।
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নির্দিষ্ট কাজ গুলি করে, যেমন ফাইল স্ক্যানিং, ভাইরাস সনাক্তকরণ এবং মুছে ফেলা ইত্যাদি, কিন্তু এটি সিস্টেম সফ্টওয়্যার মত কাজ করে না।
Security Gap কি? - Security Gap in Bangla
Security Gap মানে হলো কোনো Computer System, Network বা Software-এ এমন একটি দুর্বল জায়গা বা ফাঁকফোকর, যেটা ব্যবহার করে Hacker বা Cyber Criminal আপনার তথ্য চুরি করতে পারে বা ক্ষতি করতে পারে।
এটি সাধারণত পুরনো Version-এর কোনো Software বা Apps ব্যবহার করলে হয়। তাই আমাদের নিয়মিত সেগুলো Update করতে হয়।
Security Gap এর সহজ উদাহরণ কি কি?
১. পুরনো সফটওয়্যার ব্যবহার করা
২. দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার
৩. পাবলিক Wi-Fi ব্যবহার, VPN ছাড়া
৪. ভুয়া লিংকে ক্লিক করা (Phishing)
৫. ডিভাইস আনলক অবস্থায় রেখে দেওয়া
১০টি Virus এর নাম
1. ILOVEYOU
ভাইরাস:-
এই ভাইরাসটি ইমেইলে "ILOVEYOU" শিরোনামে ছড়ায় এবং ফাইলগুলো নষ্ট করে এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে।
2. MyDoom
এই ধরনের ভাইরাস অনেক গুলো স্প্যাম ইমেইল
পাঠিয়ে ইমেইল সিস্টেমকে ধীর করে দেয় ফলে
হ্যাকারদের কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে সুবিধা
হয়।
3. Conficker
এই ভাইরাসটি Windows কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং সেগুলোকে "জোম্বি" বানিয়ে আরও ভাইরাস ছড়াতে সাহায্য করে।
4. WannaCry
(র্যানসমওয়্যার)
এই ভাইরাসটি আপনার ফাইলগুলো লক করে দেয় এবং
আনলক করার জন্য টাকা দাবি করে।
5. ট্রোজান হর্স
এই ভাইরাসটি নিরাপদ প্রোগ্রামের মতো মনে হয়, কিন্তু আসলে এটি কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্ত করে।
6. Sasser
Windows সিস্টেমের দুর্বলতা ব্যবহার করে ভাইরাসটি ছড়ায় এবং কম্পিউটার ক্র্যাশ করে দেয়।
7. Klez
এই ভাইরাসটি ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে
ছড়ায়। এটি ফাইল মুছে ফেলে এবং অন্যদের কাছে ভাইরাস ছড়াতে সাহায্য করে।
8. Blaster
একটি ভাইরাস যা Windows
সিস্টেমের
দুর্বলতা ব্যবহার করে। এটি কম্পিউটার ধীর করে দেয় এবং ক্র্যাশ করে।
9. Zeus
একটি ট্রোজান ভাইরাস যা ব্যাংকিং তথ্য চুরি
করতে ডিজাইন করা হয়েছিল।
10. Storm
Worm
এই ভাইরাসটি ইমেইলে ছড়ায় এবং কম্পিউটারকে বটনেট বানিয়ে স্প্যাম ইমেইল পাঠাতে ব্যবহার করে।
১০টি Antivirus Software এর নাম কি কি - 10 Antivirus Software in Bangla
1. McAfee
McAfee একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস যা ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। এটি
ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।
2. Norton
Antivirus
Norton ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং স্পাইওয়্যার থেকে রক্ষা করে এবং ক্ষতিকারক ওয়েবসাইট ব্লক করে।
3. Kaspersky
Kaspersky শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাস, যা ভাইরাস, ট্রোজান এবং র্যানসমওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়।
4. Bitdefender
Bitdefender উন্নত সুরক্ষা দেয় এবং অনলাইন হুমকি থেকে রক্ষা করে।
5. Avast
Avast একটি ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস যা আপনার ডিভাইসকে ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা
করে।
6. AVG
AVG ফ্রি এবং পেইড সুরক্ষা দেয়, যা ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার থেকে সুরক্ষা প্রদান
করে।
7. Windows
Defender
Windows Defender হল একটি অন্তর্নির্মিত অ্যান্টিভাইরাস, যা Windows ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি সুরক্ষা দেয়।
8. ESET
NOD32
ESET NOD32 ভাইরাস দ্রুত শনাক্ত করে এবং সুরক্ষা প্রদান করে।
9. Panda
Security
Panda রিয়েল-টাইম মনিটরিং এবং ক্লাউড স্ক্যানিং সুবিধা দেয়, যা র্যানসমওয়্যার থেকে রক্ষা করে।
10. Sophos
Sophos একটি শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাস, যা ওয়েব ফিল্টারিং এবং ডিভাইস কন্ট্রোলের মাধ্যমে সুরক্ষা প্রদান করে।
● আরও পড়ুন : সফটওয়্যার কাকে বলে ?উদাহরণ
Computer Antivirus কাকে বলে? - What is Computer Antivirus in Bengali
কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, বা অন্য কোনো ক্ষতিকারক প্রগ্রাম থেকে রক্ষা করে।
কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস আপনার কম্পিউটারকে স্ক্যান করে এবং যত ভাইরাস বা ক্ষতিকারক সফটওয়্যার থাকবে সবকে সরিয়ে দেবে অথবা ব্লক করে রেখে দেবে।
Antivirus কি ব্যবহার করে সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রাম ঠিক করে??
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার সংক্রমিত প্রোগ্রামগুলোকে বেশ কিছু ধাপে ঠিক করে -
● ভাইরাস শনাক্তকরণ:
এন্টিভাইরাস প্রথমে কম্পিউটারে থাকা ভাইরাসগুলো শনাক্ত করে।
● সংক্রমিত ফাইল পরীক্ষা:
শনাক্ত করা ভাইরাসের সাথে সংক্রমিত ফাইলগুলো পরীক্ষা করে।
● ভাইরাস অপসারণ: সংক্রমিত
ফাইল থেকে ভাইরাস অপসারণ করে। এটি ভাইরাসের কোড মুছে ফেলে বা আলাদা করে রাখে।
● ফাইল পুনরুদ্ধার: সংক্রমিত
ফাইলগুলোকে আসল অবস্থায় ফিরিয়ে আনে। এন্টিভাইরাস সংক্রমিত ফাইলের আসল কোড
ফিরিয়ে আনে।
● সতর্কতা ও প্রতিরোধ: ভবিষ্যতে ভাইরাস আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সতর্কতা অবলম্বন করে এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
এইভাবে এন্টিভাইরাস সংক্রমিত প্রোগ্রামগুলোকে ঠিক করে এবং আমাদের কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখে।
২০২৬ সালের সেরা ফ্রি এন্টিভাইরাস গুলোকি - Top Free Antivirus 2026 in Bengali
আজকে আপনাদের ২০২৫ সালের ৫টি জনপ্রিয় ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপের নাম দিলাম-
১. Avast Free Antivirus
২. AVG AntiVirus Free
৩. Avira Free Security
৪. Microsoft Defender
Antivirus (Windows Defender)
৫. Kaspersky Security Cloud Free
এই ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপগুলি আপনার ডিভাইসকে অনলাইন ক্ষতিকারক সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষিত রাখে এবং অতিরিক্ত ফিচার সরবরাহ করে।
Antivirus কি ধরনের Software ?
এন্টিভাইরাস হলো একটি ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার, অর্থাৎ একটি সিকিউরিটি সফটওয়্যার।
ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর কাজ হলো কম্পিউটার, মোবাইল, বা অন্য ডিভাইসের ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার, ট্রোজান মত ইত্যাদি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত করে তাকে মুছে ফেলে কম্পিউটারকে সুরক্ষা দেওয়া।
ভারতে তৈরি Antivirus Software গুলি কি কি?
ভারতে তৈরি কিছু জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস গুলি হলো -
২. ই-স্ক্যান (eScan)
৩. কে-৭ অ্যান্টিভাইরাস (K7 Antivirus)
৪. ডাটা সিকিউরিটি (DataSec)
৫. সিক্রাইট (Seqrite)
৬. ইমিউনেট (Immunet)
Virus কাকে বলে? - What is Virus in Bangla
ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকর কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে ঢুকে নানা ধরনের ক্ষতি করে।
এটি নিজে নিজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে, যেমন—ইমেইল, পেনড্রাইভ, বা ইন্টারনেট থেকে নামানো ফাইলের মাধ্যমে।
এটি এমনভাবে তৈরি করা হয় যেন ভাইরাস কম্পিউটারের ফাইল নষ্ট করে দিতে পারে, গোপন তথ্য চুরি করতে পারে, বা ডিভাইসকে ধীরে কাজ করাতে পারে।
একে ভাইরাস বলা হয় কারণ এটি জীবন্ত ভাইরাসের মতো আচরণ করে, নিজের সংখ্যা বাড়ায় এবং ক্ষতি করে।
যেমন- ট্রোজান হর্স, র্যানসমওয়্যার (WannaCry), ওয়ার্ম (ILOVEYOU) ইত্যাদি।
Computer Virus কত প্রকার ও কি কি? - Types Of Virus in Bangla
কম্পিউটার ভাইরাসকে তাদের কাজের ধরন, সংক্রমণের পদ্ধতি এবং লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়।
• File Infector Virus: সাধারণত .exe বা App চালানোর মতো File-এ লেগে থাকে। File চালালে Virus সক্রিয় হয়ে অন্য File-এ ছড়িয়ে পড়ে।
• Boot Sector Virus: Computer-এর Hard Disk বা Pen Drive থেকে ছড়িয়ে পড়ে এবং System ধীর করে দেয়।
• Macro Virus: Word বা Excel-এর মতো File খুললে সক্রিয় হয় এবং ছড়িয়ে পড়ে।
• Resident Virus: Computer-এর Memory-তে লুকিয়ে থেকে File ক্ষতি করে।
• Direct Action Virus: শুধু তখনই কাজ করে যখন Virus-সহ Program চালানো হয়। Program বন্ধ হলে Virus-ও বন্ধ হয়ে যায়।
• Overwrite Virus: File-এর ভিতরের Data মুছে দিয়ে নিজের ক্ষতিকর Code বসিয়ে দেয়। ফলে File আর কাজ করে না।
• Polymorphic Virus: প্রতিবার ছড়ানোর সময় নিজের Structure বদলায়, যাতে Antivirus চিনতে না পারে।
• Multipartite Virus: একই সঙ্গে File ও Boot Sector-এ আক্রমণ করতে পারে। একে ধ্বংস করা কঠিন।
• Stealth Virus: নিজেকে লুকিয়ে রাখে, যাতে Antivirus খুঁজে না পায়।
• Tunneling Virus: এমনভাবে কাজ করে যাতে Antivirus Program এটিকে ধরতে না পারে।
১০ টি ভাইরাসের নাম কি? - 10 Virus Names List
১. ওয়ার্ম (Worm):
ব্যবহারকারীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই এক কম্পিউটার থেকে আরেকটিতে ছড়ায়।
২. আইলাভইউ (ILOVEYOU):
ইমেলের মাধ্যমে ছড়ানো বিপজ্জনক ভাইরাস, যা ২০০০ সালে বড় ক্ষতি করেছিল।
৩. এসকিউএল স্ল্যামার (SQL Slammer):
ইন্টারনেট ধীর করে দেয় এবং সার্ভার আক্রমণ করে।
৪. স্টাক্সনেট (Stuxnet):
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা আক্রমণের জন্য তৈরি বিশেষ ওয়ার্ম।
৫. ক্রিপ্টোলকার (CryptoLocker):
ফাইল লক করে মুক্তিপণ দাবি করে।
৬. টিনবা (Tinba):
আর্থিক অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য চুরি করার জন্য ডিজাইন করা।
৭. ওয়েলচিয়া (Welchia):
ক্ষতিকর ভাইরাস মুছে ফেলে, কিন্তু নেটওয়ার্ক ধীর করে।
৮. শ্লেয়ার (Shlayer):
ভুয়া অ্যাপ ও বিজ্ঞাপন ছড়ায়।
উপসংহার
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা আজকের দিনে অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এটি শুধু আপনার কম্পিউটার এবং মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যারের হাত থেকে রক্ষা করে না, বরং আপনার গুরুত্বপূর্ণ ডেটার সুরক্ষাও নিশ্চিত করে। তাই, ভালো মানের একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার বেছে নিন এবং সেটি নিয়মিত আপডেট করুন, যাতে আপনার সিস্টেম সুরক্ষিত ও সচল থাকে। নিরাপদ থাকুন এবং আপনার ডিজিটাল জীবন সুরক্ষিত রাখুন।





