Open Source Software কাকে বলে? উদাহরন ২০২৬ - Open Source Software in Bengali 2026

Open source software kake bole
Open Source Software in Bangla 

Open Source Software কাকে বলে? উদাহরন ২০২৬:
 
Application Software বলতে সেই সব Computer Program-কে বোঝায়, যেগুলো ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ করে দেয়—যেমন লেখা Type করা, গান শোনা, Internet Browse করা ইত্যাদি। এগুলো সবসময় System Software (যেমন Operating System) এর উপর নির্ভর করে চলে।  

Open Source Software কাকে বলে? - What is Open Source Software in Bangla 

Open Source Software


 Open Source Software (OSS) এমন এক software কে বলা হয় যার source code সম্পূর্ণভাবে viewable এবং changeable ।

এক কথায়, Open Source Software হলো এমন একটি সফটওয়্যার যার Source Code উন্মুক্ত থাকে—মানে তুমি চাইলে সেটি দেখে নিতে পারো, নিজের মতো করে Change করতে পারো এবং ব্যবহার করতে পারো।  

কেবল সংজ্ঞা দিয়ে এই জগৎকে বোঝা যায় না। কিছু বাস্তব উদাহরণ দেখলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে:  

• Audacity – ফ্রি Audio Editing Tool, যা অনেক Podcaster ব্যবহার করেন।  

• GIMP – জনপ্রিয় Photoshop Alternative, একটি Open Source Image Editor।  

• VLC Media Player – প্রায় সব ধরনের Video Format চালাতে সক্ষম।  

এই সফটওয়্যারগুলো শুধু ফ্রি নয়, এগুলোর Code পাওয়া যায় GitHub-এর মতো প্ল্যাটফর্মে, যেখানে হাজার হাজার Developer একসাথে কাজ করেন।  

অন্যদিকে, Windows হলো একটি Close Source Software। এর Source Code সাধারণ ব্যবহারকারীরা দেখতে বা Change করতে পারে না। কেবল কোম্পানিই এটি নিয়ন্ত্রণ করে।  

কিন্তু Linux-এর Source Code আমরা দেখতে পারি এবং নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী Change করতে পারি।  

Note : Source code সেই Behind-the-scenes প্রোগ্রামিং (Programming) এর অংশ কে বলে যেখানে সমস্ত Instructions Instructions এর Layout তৈরী করা হয়। এটি এক বিশিষ্ট প্রগ্রামিং ভাষাতে লেখা হয়, যেমন - Paython, HTML, C++, या Java ইত্যাদি। সোর্স কোড এর Access শুধুমাত্র ডেভেলপারদের কাছে থাকে।

Open Source Software কত প্রকার ও কি কি? - Type of Open Source Software in Bengali 

 আপনি যদি কখনো VLC, GIMP, বা Audacity ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে হয়তো জানেন না এই Apps শুধু Free নয়, এগুলোর পিছনে আছে এক বিশাল আইনি কাঠামো।  

এই কাঠামোই ঠিক করে দেয়, আপনি এই Software দিয়ে কী করতে পারবেন আর কী করতে পারবেন না।  

• অনেকেই License শব্দটা শুনলেই ভয় পান।  

• কিন্তু Open Source License মানে জটিল আইন নয়।  

• এটা আসলে একধরনের Permission, যেখানে বলা থাকে—এই Software আপনি ব্যবহার করতে পারবেন, Change করতে পারবেন, এমনকি নিজের মতো করে Distribute করতে পারবেন।  

তবে কিছু শর্ত থাকে। আর সেই শর্ত অনুযায়ী Open Source License সাধারণত দুইটি ধারায় ভাগ করা যায়।  

মনে রাখবেন, Open Source Software-এর কোনো আলাদা Types নেই।  

• আসল বিষয় হলো, Software নিজে ভাগ হয় না—বরং License অনুযায়ী তার ব্যবহারযোগ্যতা বদলায়।  

• এই License-ই ঠিক করে দেয়, আপনি কতটা স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।  

দুই ধরনের License: পার্থক্য কোথায়?

• এখানে কোনো “ভালো” বা “খারাপ” নেই।  

• দুই ধরনের License-এর নিজস্ব দর্শন আছে।  

• তাই আমরা নিচে সেই দুইটি License-এর ধারণা তুলে ধরছি, তবে এক লাইনে নয়—কারণ এই বিষয়টা এক লাইনে বোঝানো যায় না। 


Permissive License: স্বাধীনতা, কিন্তু শর্তসাপেক্ষ

- আপনি কোড ব্যবহার করতে পারেন, পরিবর্তন করতে পারেন, এমনকি নিজের প্রজেক্টে যুক্ত করে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারও করতে পারেন  

- কিন্তু আপনাকে মূল লেখকের নাম উল্লেখ করতে হবে  

- উদাহরণ: MIT, Apache, BSD

এই লাইসেন্সগুলো অনেকটা “তুমি ব্যবহার করো, শুধু কৃতজ্ঞতা জানাও” টাইপ।

Copyleft License: স্বাধীনতা, কিন্তু সমানভাবে ফিরিয়ে দিতে হবে

- আপনি কোড পরিবর্তন করতে পারেন, কিন্তু পরিবর্তিত কোডও ওপেন রাখতে হবে  

- অর্থাৎ আপনি যদি নিজের সফটওয়্যার বানান, সেটাও ওপেন সোর্স করতে হবে  

- উদাহরণ: GNU GPL


Software কাকে বলে?

Software হলো কম্পিউটারের জন্য তৈরি program ও instruction-এর একটি সংগ্রহ। এটি কম্পিউটারকে বলে দেয় যে তাকে কী করতে হবে, কীভাবে করতে হবে এবং কখন করতে হবে।  

মূলত Software দুই ধরনের হয়:  

  • System Software – যেমন Operating System (Windows, Linux)।  

  • Application Software – যেমন MS Word, WhatsApp, VLC Player।  

সহজভাবে বললে, Software হলো সেই মাধ্যম যা কম্পিউটারকে কাজ করার নির্দেশ দেয় এবং আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।  


১০টি Open Source Software এর উদাহরণ-  Open Source Software Example in Bangla 


আমরা প্রতিদিন নানা ধরনের Software ব্যবহার করি—কখনও video দেখি, কখনও image edit করি, আবার কখনও website বানাই। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন, এই Software-গুলোর অনেকগুলোই তৈরি হয়েছে এমন এক প্রযুক্তি ভিত্তিতে, যেখানে স্বাধীনতা শুধু ব্যবহার করার নয়, বরং বুঝে নেওয়ার, বদলে দেওয়ার, নিজের মতো করে গড়ে তোলার সুযোগও থাকে।  

এই প্রযুক্তির নাম হলো Open Source।  

এখানে শুধু Software free নয়, এর ভেতরের structure, code, চিন্তা—সবই উন্মুক্ত। আপনি চাইলে দেখে নিতে পারেন, শিখে নিতে পারেন, এমনকি নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী বদলে নিতে পারেন। এটা যেন প্রযুক্তির গণতন্ত্র।  

কিছু জনপ্রিয় Open Source Software

১. Linux – এটি কোনো সাধারণ Operating System নয়। Android থেকে শুরু করে NASA-এর server পর্যন্ত এর উপর দাঁড়িয়ে আছে। আপনার মোবাইলেও Linux-এর ছোঁয়া রয়েছে।  

২. VLC Media Player – প্রতিদিন video চালানোর জন্য ব্যবহৃত এই player-ও Open Source। এর skin বদলানো, feature যোগ করা, এমনকি নিজের version বানানো সম্ভব।  

৩. Mozilla Firefox – এটি শুধু একটি browser নয়, বরং একটি আন্দোলন। এখানে privacy ও freedom-কে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর code দেখে আপনি বুঝতে পারবেন কীভাবে এটি কাজ করে।  

৪. Apache Web Server – বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় Open Source web server। অনেক website Apache দিয়ে চালিত হয়।  

৫. JQuery – web development সহজ করে তোলে। Website বানাতে চাইলে JavaScript শেখা এর মাধ্যমে অনেক সহজ হয়।  

৬. OpenOffice – যারা Microsoft Office কিনতে পারেন না, তাদের জন্য এটি আশীর্বাদ। Document, spreadsheet, presentation—সবই বিনামূল্যে করা যায়।  

৭. GIMP – একটি image editing tool, যা Photoshop-এর বিকল্প। Designer-রা এটি দিয়ে banner, poster, thumbnail তৈরি করেন।  

৮. Blender – 3D animation, video production, game তৈরি করার জন্য এটি একটি শক্তিশালী tool। অনেক YouTuber ও game developer এটি ব্যবহার করেন।  

৯. Drupal – একটি CMS, যা দিয়ে website বানানো যায়। WordPress-এর মতো, তবে আরও বেশি customizable।  

১০. Git – যারা code লেখেন, তাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। এটি version control করে, যাতে ভুল হলে আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।  

 

Close source Software কি? - What is Close source Software in Bangla 

Close Source Software বলতে সেই সব Software-কে বোঝায় যার Source Code কেউই দেখতে বা পরিবর্তন করতে পারে না।  

এগুলো শুধুমাত্র সেই Software Owner দেখতে ও পরিবর্তন করতে পারেন।  

এই ধরনের Software Download করতে গেলে সাধারণত কিছু টাকা দিতে হয়। উদাহরণস্বরূপ:  

- Windows Operating System  

- Android Operating System  

- Firefox  

- Google Chrome

Open Source Software এর  সুবিধা গুলি কী কী? - Advantage of Open Source Software in Bangla 

Technology বিশ্বে Open Source Software-এর ব্যবহার প্রতিদিনই বাড়ছে। আজকের দিনে subscription license software-এর তুলনায় এই Open Source Software অনেক বেশি জনপ্রিয়। সাধারণ software-এর থেকে Open Source Software-এর সুবিধা অনেক বেশি।  

Open Source Software-এর ১০টি প্রধান সুবিধা

১. Customization  

   • এই ধরনের software-কে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা যায়।  

২. Easy Control  

   • এর code যে কেউ দেখতে, পরিবর্তন করতে এবং যাচাই করতে পারে।  

৩. Free Download  

   • সম্পূর্ণ বিনামূল্যে internet থেকে download করা যায় এবং সহজে ব্যবহার করা যায়।  

৪. High Quality  

   • source code পরিবর্তন করে আরও উন্নত software তৈরি করা সম্ভব।  

৫. Easy to Modify  

   • এর source code সহজে সংশোধন করা যায় এবং যে কেউ তা করতে পারে।  

৬. Popularity  

   • এই software বিশ্বজুড়ে খুব জনপ্রিয় এবং ব্যবহারযোগ্য।  

৭. Security  

   • অনেক developer দ্বারা যাচাই হওয়ায় এটি নিরাপদ হিসাবে ধরা হয়।  

৮. Educational Use  

   • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বড় বড় কোম্পানি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।  

৯. Helps in Coding  

   • source code উন্মুক্ত থাকায় programming শেখার জন্য এটি অনেক সহায়ক। ছাত্ররা সহজে code দেখতে ও বুঝতে পারে।  

১০. Wide Usage  

   • software-এর বাইরে article, image, song ইত্যাদি ক্ষেত্রেও এর ব্যবহার হচ্ছে।

Open Source Software কি আইনি?

Open Source Software (OSS) ভারতে সম্পূর্ণভাবে বৈধ। তবে এই ধরনের software ব্যবহার করার জন্য দুটি বিশেষ ধরনের license দরকার হয়। এই দুই license-এর মাধ্যমে সমস্ত OSS অর্থাৎ Open Source Software-কে ব্যবহার, নিয়ন্ত্রণ, পরিবর্তন ও share করা যায়।  

এই license ব্যবহারকারীদেরকে software-এর code পরিবর্তন, সংশোধন ও share করার নিয়ম ও অনুমতি দেয়।  

ভারত সরকার প্রযুক্তি ক্ষেত্রে OSS ব্যবহারের জন্য এবং ভারতীয় copyright law অনুসারে Open Source License-কে স্বীকৃতি দিয়েছে।  

আপনি যদি OSS কোনোভাবে ব্যবহার করতে চান, তাহলে অবশ্যই সেই software-এর license সম্পর্কিত সমস্ত নিয়ম আগে পড়ে ও বুঝে নিতে হবে। এতে software নিয়ে কাজ করার সময় কোনো অসুবিধা হবে না।

Open Source Software ও Closs Source Software এর মধ্যে পার্থক্য কি? - OSS vs CSS

১ . সোর্স কোড অ্যাকসেস: 

   ● OSS: ওপেন সোর্স সফওয়্যার এর সোর্স কোড সকলের জন্য ওপেন থাকে অর্থাৎ যে কেউ এর কোডিং এর layout দেখতে পারে।

  ● CSS: Close source software er source code শুধুমাত্র কোম্পানির মালিক বা তার employee রা দেখতে পারে।

২ . Coading চেঞ্জ করার অনুমতি: 

  ● OSS:এই ধরনের সফটওয়্যার এর কোডিং কে যেকেউ সহজে পরিবর্তন করতে পারে।

  ●   CSS:শুধুমাত্র কোম্পানির মালিক এর কাছে এর অধিকার অছে।

৩ . খরচা: 

   ● OSS:ইন্টারনেট থেকে একে বিনামুল্যে ডাউনলোড করে ব্যাবহার করা যায়। 

   ● CSS:কিছু কিছু সফটওয়্যার ছাড়া প্রায়ই সমস্ত সফট্ওয়ার ব্যাবহার করার জন্য কিছু টাকা দিয়ে হয়।

৪.Licence নিয়ম:  

   ● OSS:এর সফটওয়্যার ব্যাবহার করার জন্য এক ফ্রী লাইসেন্স দেয় যা সেই সফওয়ার এর সোর্স কোড কে নিজের ব্যাবহার মত পরিবর্তন করতে দেয়।

  ● CSS: paid লাইসেন্সএর দ্বারা এটা নির্ধারণ করে দেয় যে কোনো প্রকার এর সোর্স কোডকে দেখতে ও পরিবর্তন করতে করা নিষেধ থাকে।

৫.সংশোধন ও অনুকূল: 

   ●  OSS:একে নিজের মতো করে Edit করে Share করতে পারা যায়। 

   ● CSS:সফটওয়্যার এর মালিক বা বিক্রেতা দ্বারা এর কোড এডিট করতে পারে।

৬ . সুরক্ষা:  

  ● OSS: ওপেন সোর্স সফওয়্যার যে কোনো Developer দেখতে পারে তাই এর সুরক্ষার অনেক ভালো,যদি কোনো ঘাটতি থাকলে ত অনেক কম সময়ে তার পূরণ করা হয়। 

  ● CSS: এটি সুরক্ষা হলেও সময়ের সাথে কোনো আপডেট বা কোনো ঘাটতি হলে তার পূরণ করতে সময় লাগেকেননা এর অ্যাকসেস শুধুমাত্র এক মালিকের কাছে থাকে।

৭ . বিতরণ: 

   ● OSS: এর সোর্স কোড কে কাউকে পাঠাবার   অনুমতি আছে। 

   ● CSS: এর কোনো ভাবে অনুমতি নেই।


  ● OSS: Android, Linux, Firefox, Open Office, GIMP, और VLC Media player ইত্যাদী।  ● CSS: Windows, macOS, Internet Explorer, Google Earth, Microsoft Office, Adobe Flash Player,


ভারতে জনপ্রিয় ১০টি Open Source Software গুলি কী কী?


১. Linux: এটি হলো বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম (OS), Linux ভারতেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি তার সহজ ব্যাবহার, নিরাপত্তা , নিঃশুল্ক এবং কাস্টমাইজযোগ্যতার জন্য পরিচিত।

২. Mozilla Firefox

Mozilla company দ্বারা তৈরী এক ফ্রী ওপেন সোর্স ওয়েব ব্রাউজার। এটি google ক্রোম এর alternative হিসাবে অনেক জনপ্রিয়। এর সুরক্ষা দিক দিয়ে অন্যান্য ব্রাউজার থেকে অনেক বেশি জনপ্রিয়তা অছে।

৩. LibreOffice

 এটি বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় OSS. বিশেষ করে এক দিকে যেমন মাইক্রোসফট তার সার্ভিসেস জন্য টাকা নেয় অন্য দিকে এই লিব্রে অফিস সম্পূর্ণ ফ্রী, এবং সহজ ব্যাবহার ও সুরক্ষিত। Word processing, Excel এর কাজ, ডাটাবেস ইত্যাদি সব কাজ করা হয় এবং এটি MS word এর alternative .

৪. GIMP

যারা adobe photoshop এর alternative খুঁজছেন তাদের জন্য এই OSS সবচেয়ে অন্যতম tool।এই সফটওয়্যার দ্বারা ফটোশপ, গ্রাফিক্স, ডিজাইন, image editing ইত্যাদি সমস্ত কাজ করতে সাহায্য করে।

৫. VLC Media Player

এটি একটি ফ্রী ওপেন সোর্স মাল্টিমিডিয়া। এর সাহায্যে সমস্ত রকম অডিও, ভিডিও কে চালানো যায়। এবং এডিট করা যায় । এর ব্যাবহার খুব সহজ, এবং যেকোনো ডিভাইস দিয়ে এতে কাজ করা হয়।

৬. Inkscape

ফ্রি এবং ওপেন সোর্স গ্রাফিক্স এডিটর যা চিত্র, আইকন, লোগো এবং আরও অনেক কিছু তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়। এটি গ্রাফিক ডিজাইনার এবং ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য একটি জনপ্রিয় পছন্দ যারা Adobe Illustrator এর একটি alternative খুঁজছেন।

৭. Krita

ডিজিটাল ভাবে আর্ট তৈরি,ছবি, পেইন্টিং করা, ডিজাইন করা ইত্যাদির জন্য এই ওপেন সোর্স সফটওয়্যারটি ব্যাবহার হয়। এটি ফ্রী এক OSS Tool.

৮. Audacity

আপনি যদি এক Youtuber হন বা কোনো অডিও কে নিজের পছন্দের মত এডিট,পরিবর্তন করতে চান তাহলে এই ওপেন সোর্স সফটওয়্যার অনেক সাহায্যকর। এর সাহায্যে অডিও রেকর্ড ও করতে পারে। এখন তো অনেক গান , মিউজিক তৈরি ক্ষেত্রে এর ব্যাবহার করা হচ্ছে।

৯. Shotcut

এটি একটি Video Editor Software।এর ব্যাবহার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে Youtube Video তৈরি ক্ষেত্রে করা হয়।তবে এর বৈশিষ্ট এতটা উন্নত হয়েছে যে এটি চলচ্চিত্র জগতেও এর ব্যাবহার হতে শুরু হয়ে গিয়েছে।

১০. Kodi 

আপনি যদি এক হোম থিয়েটার এর মজা পেতে চান তাহলে এই Open Source Media Player টি অনেক ব্যাবহার করতে পারেন। এর সাহায্যে TV শো, মিউজিক, গান, সিনেমা ইত্যাদি ব্যাবহার করতে পারেন।

ভারতে অনেক জনপ্রিয় Open Source Software প্রোগ্রাম পাওয়া যায়। Open-source software ব্যবহার করলে সফ্টওয়্যার খরচে যথেষ্ট অর্থ সাশ্রয় করা যায়। পাশাপাশি এটি আপনাকে আপনার নির্দিষ্ট প্রয়োজন অনুযায়ী সফ্টওয়্যার পরিবর্তন ও মানিয়ে নেওয়ার স্বাধীনতা দেয়।  

এই ধরনের সফ্টওয়্যার সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই উপকারী, কারণ এতে কোনো লাইসেন্স ফি নেই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কোড পরিবর্তন করা যায়। ফলে ব্যবসা, শিক্ষা কিংবা ব্যক্তিগত কাজে সহজে ব্যবহার করা যায়।

২০২৫ সালের কিছু জনপ্রিয় Open Source Software এর নাম ও তার কাজ:- 

1.LibreOffice

এটি MS Office এর altanative অর্থাৎ MS Office দ্বারা যে সমস্ত কাজবগুলো হয়ে থাকে যেমন ডকুমেন্টস তৈরি,এডিট, এক্সেল তৈরি করা , প্রেজেন্টেশন ইত্যাদি সব এই লীব্রে অফিস থেকে করা হয় এবং এটি সম্পুর্ণ ফ্রী।

2.GIMP

এটি ইমেজ এডিটিং জন্য সবচেয়ে ভালো টুল এবং এটি Adobe Photoshop এর alternative মত কাজ করে।

3.VLC Media Player

এটি একটি মিডিয়া প্লেয়ার যেখানে সমস্ত format er গান,অডিও, ভিডিও চালানো যায়।

4.Audacity

Jekono format এর অডিওকে এডিট করা হয় এবং রেকর্ডও করা হয়।

5.Mozilla Firefox

সবচেয়ে দ্রুত ও সুরক্ষিত ভাবে ওয়েব ব্রাউজার করা হয়।

6.Apache OpenOffice

এটিও একটি MS Office ও Libre Office এর laternative মত কাজ করে।

7. Inkscape

যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করে বা শিখতে চায় তাদের জন্য এই OSS একটি ভালো বিকল্প।

8. Blender

3D Art তৈরী করতে করতে, অ্যানিমেশন ভিডিও ইত্যাদী ক্ষেত্রে এই OSS ব্যাবহার হয়।

9. Linux

এক জনপ্রিয় ফ্রী অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার।

10. Nextcloud

এর সাহায্যে আপনি নিজস্ব এক ক্লাউড স্টোরেজ তৈরি করে প্রয়োজনীয় documents গুলিকে সংরক্ষিত করতে পারেন।

11. FileZilla

FileZilla একটি বিনামূল্যের এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার যা আপনাকে ফাইল ট্রান্সফার করতে সাহায্য করে।  এটি FTP Client হিসাবে পরিচিত।  FTP মানে ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল(File Transfer Protocol )।

12. Thunderbird

Thunderbird হল একটি ফ্রি ওপেন সোর্স ইমেল টুল যা Mozilla Foundation দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।  এর দ্বারা আপনি আপনার একেধিক ইমেইল আইডি কে এক জায়গা থেকে চালাতে পারে। ইমেইল পাঠানো, ইমেইল পেতে, চ্যাট, নিউজ, ক্যালেন্ডার ইত্যাদি সব কাজ করতে পারা যায়।

13. KeePass

এটি একটি ফ্রী পাসওয়ার্ড ম্যানেজার।এর সাহায্যে  মোবাইল, কম্পিউটার এ ব্যাবহৃত সমস্ত পাশওয়ার্ড কে ম্যানেজ করে।

14. WordPress

সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি ওপেন সোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (Content Management System) যা ওয়েবসাইট , ব্লগ তৈরী করার জন্য ব্যাবহার করা হয়।

15. Docker

Docker হল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা আপনার অ্যাপ্লিকেশনগুলিকে এক জায়গায় একত্রিত করে রাখে। যেখান থেকে সমস্ত অ্যাপস গুলিকে ব্যাবহার করা হয়।

16. Git 

Git একটি ওপেন সোর্স সংস্করণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Version Control System - VCS)।  এর মানে এটি আপনাকে আপনার প্রকল্পে করা সমস্ত পরিবর্তনগুলি (যেমন কোড, নথি, ইত্যাদি) ট্র্যাক এবং পরিচালনা করতে সহায়তা করে৷

17. Jenkins

Jenkins একটি ওপেন সোর্স অটোমেশন সার্ভার যা সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ার কাজে  ব্যবহৃত হয়।

18. MariaDB

মারিয়াডিবি একটি ওপেন সোর্স রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (Relational database management system - RDBMS)।

কম্পিউটার এর ডাটা,তথ্য, ডকুমেন্টস ইত্যাদি গুলিকে সঠিক ভাবে সংরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে এমনকিই তথ্যকে এডিট করতে, ম্যানেজ করতে দেয়।

 সহজ কথায়, মারিয়াডিবি আপনাকে পদ্ধতিগতভাবে ডেটা সংরক্ষণ এবং পরিচালনা করতে সহায়তা করে

19.Atom

এটি একটি টেক্সট এডিটর মত কাজ করে।যেখানে  কোডিং লিখতে, এডিট করতে পারা যায়।

20.Kubernetes

এই OSS  এপ্লিকেশন তৈরীর ক্ষেত্রে অনেক বেশি ব্যাবহার হয়। এপ্লিকেশন কে চালাতে, পরীক্ষা করতে, পরিচালনা করতে এই OSS বিশেষ ভাবে কাজে আসে।

Open Source Operating System কাকে বলে? এর উদাহরণ কি?
Open Source Operating System হলো এমন এক ধরনের সিস্টেম যার Source Code সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে। অর্থাৎ যে কেউ একে Free তে Download করতে পারে এবং নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী Edit ও Modify করে ব্যবহার করতে পারে।  

ওপেন সোর্স Operating System-এর উদাহরণ হলো: Linux, FreeBSD, OpenBSD, ReactOS। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো Linux Operating System। 

Source Code কি?

 Source Code হলো সেই কোড যা দিয়ে কোনো Computer Program তৈরি করা হয়। এটি আসলে এক ধরনের Instructions—যা কম্পিউটারকে বলে কী করতে হবে এবং কীভাবে করতে হবে।  

এই কোড সাধারণত Programming Language-এ লেখা হয়, যেমন C, Java, Python, HTML ইত্যাদি। আমরা যখন কোনো App, Website, বা Software ব্যবহার করি, তার পেছনে সব কাজই হয় এই Source Code-এর মাধ্যমে।  

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়—যদি আপনি একটি Website তৈরি করতে চান, তবে আপনাকে HTML, CSS, এবং JavaScript দিয়ে কোড লিখতে হবে। এই কোডগুলোই হবে সেই ওয়েবসাইটের Source Code। একইভাবে, একটি Mobile App বা Game তৈরি করতে হলে Developerরা কোড লেখেন, যা Source Code নামে পরিচিত।  

What is open source presentation software Names 

  LibreOffice Impress
  Apache OpenOffice Impress
  Sozi


১০টি Open Source Operating System এর নাম কি?
লিনাক্স (Linux) ছাড়া আরোও ১০টি Open Source Operating System  গুলি হলো-

  1. Free BSD
  2. Fedora
  3.  Open SD
  4.  CentOS
  5.  Arch Linux
  6.  Gentoo
  7.  Void Linux
  8.  Ubuntu
  9.  Debian
  10.  Open SUSE
  11.  Linux Mint
  12.  Manjaro

Open Source Software-এর লিস্ট - Open Source Software Example in Bengali 


ওপেন সোর্স Software শুধু Operating System নয়, আরও নানা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। নিচে কয়েকটি বিভাগ ও তাদের জনপ্রিয় ওপেন সোর্স Software দেওয়া হলোঃ  

১. Web Browser
• Firefox  
• Chromium  
• Brave  
• Opera  
• Vivaldi  

২. Office Software
• LibreOffice  
• OpenOffice  
• WPS Office  
• Calligra  
• OnlyOffice  

৩. Graphics Software
• GIMP  
• Inkscape  
• Blender  
• Krita  
• MyPaint  

৪. Video Editing Software
• DaVinci Resolve  
• OpenShot  
• Kdenlive  
• Shotcut  
• Avidemux  

৫. Web Development Software
• WordPress  
• Drupal  
• Joomla  
• Magento  
• PrestaShop  

এগুলির বাইরে আরও অনেক ওপেন সোর্স Software তৈরি হচ্ছে এবং ব্যবহারকারীরা সেগুলো নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী Free Download, Edit, ও Modify করে ব্যবহার করতে পারেন।  

FOSS কি? 

FOSS এর পূর্ণরূপ হলো Free and Open Source Software।
এটি এমন এক ধরনের সফটওয়্যার যা ব্যবহার করার জন্য আপনাকে কোনো টাকা দিতে হয় না এবং এর ভেতরের "কোড" বা তৈরির ফর্মুলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে। অর্থাৎ, যে কেউ চাইলে এটি দেখতে পারে, শিখতে পারে এবং নিজের মতো করে পরিবর্তন করতে পারে।

FOSS বনাম OSS?

• OSS (Open Source Software):  
এমন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড সবার জন্য খোলা থাকে। যে কেউ সেটি দেখে শিখতে পারে, নিজের মতো করে পরিবর্তন করতে পারে।  
উদাহরণ: Mozilla Firefox, VLC Media Player।  

• FOSS (Free and Open Source Software):  
এখানে শুধু কোড খোলা নয়, বরং ব্যবহারকারীর স্বাধীনতার ওপরও জোর দেওয়া হয়। অর্থাৎ আপনি সফটওয়্যারটি বিনা খরচে ব্যবহার করতে পারবেন, কপি করতে পারবেন, পরিবর্তন করতে পারবেন এবং অন্যকে দিতে পারবেন।  
উদাহরণ: Linux (Ubuntu, Debian), LibreOffice, GIMP।  

সহজ উদহারন বলি, 
আপনি Firefox ব্যবহার করছেন। এটি OSS—কারণ এর কোড খোলা আছে, আপনি চাইলে পরিবর্তন করতে পারেন।  
কিন্তু যদি আপনি Ubuntu Linux ব্যবহার করেন, সেটি FOSS—কারণ শুধু কোড খোলা নয়, বরং আপনি সেটি বিনা খরচে ব্যবহার করতে, কপি করতে, অন্যকে দিতে এবং নিজের মতো করে উন্নত করতে পারবেন।

Frequently Asked Questions (FAQs) 

Q 1. ওপেন সোর্স সফটওয়্যার কি?
ওপেন সোর্স সফটওয়্যার (OSS) হল এমন এক সফটওয়্যার যার সোর্স কোড সর্বজনীনভাবে উপলব্ধ।  এর মানে হলো, যে কেউ প্রগ্রামিং কোডটি দেখতে, পরিবর্তন করতে এবং বিতরণ করতে পারে।

Q 2. Source Code কি?
সোর্স কোড হলো কোনো সফটওয়্যার এর coding বা প্রগ্রামিং এর নকশা, অর্থাৎ প্রোগ্রাম কে দেওয়া নির্দেশ।

Q 3. Open Source Licence কি?
ওপেন সোর্স লাইসেন্স হলো আইনি চুক্তি যা নির্ধারণ করে যে কীভাবে ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার ব্যবহার, পরিবর্তন এবং বিতরণ করা যেতে পারে। 

ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এর কিছু উদাহরন কী?
Linux, Firefox,VLC Media player ইত্যাদি।

Q 4. মালিকানা প্রোগ্রামিং কি?
মালিকানা প্রোগ্রামিং, যাকে ক্লোজড-সোর্স প্রোগ্রামিংও (Close source software)বলা হয়। এটি এমন এক ধরণের Programming যেখানে সোর্স কোড জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। অর্থাৎ কেবলমাত্র সফ্টওয়্যারের মালিক বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই কোডটি দেখতে, পরিবর্তন করতে এবং বিতরণ করতে পারে।
মালিকানা প্রোগ্রামিং বিপরীত Open Source Programming , যেখানে সোর্স কোড সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে

Q 5. VPN কাকে বলে?
VPN মানে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক(Virtual Private Network)। এটি এমন একটি technology যা আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ এবং ব্যক্তিগত করে তোলে।
উদাহণস্বরূপ,
   আপনি একটি সর্বজনীন Wi-Fi ব্যবহার করছেন (যেমন একটি ক্যাফে বা বিমানবন্দর)। VPN ছাড়া যে কোনো হ্যাকার আপনার ডেটা চুরি করতে পারে।  
কিন্তু যদি আপনি একটি VPN ব্যবহার করেন, আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট হয়ে যায় এবং হ্যাকার তা দেখতে পায় না।
Q 6. সোর্স কি? - What is Source?

 (Source) মানে উৎস বা একটি জিনিসের উৎপত্তিস্থল। সোর্স (Source) শব্দটি সাধারণত তথ্য, কোড বা উৎসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বিশেষত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সোর্স কোড হলো সেই কোড যা একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রামের ভিত্তি।
 এটি এক ধরনের টেক্সট ফাইল, যা প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা হয় এবং যার মাধ্যমে সফটওয়্যারটির কার্যকারিতা নির্ধারিত হয়।