
Top 10 Android Free AI Video Editor Apps
১০টি Android Free AI Video Editor Apps : আপনি কি মনে করেন ভিডিও এডিটিং শেখা খুব কঠিন? আগে হয়তো তাই ছিল, কিন্তু এখন আর নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI ভিডিও এডিটিংকে এতটাই সহজ করে দিয়েছে যে, এখন মোবাইল ফোন হাতেই ঘরে বসে প্রফেশনাল লেভেলের ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। শুধু ইউটিউবার বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর নয়, এখন সাধারণ ছাত্র, ব্যবসায়ী, বা বিনোদনের জন্য যেকেউ সহজে দারুণ ভিডিও বানাতে পারেন। এই গাইডে আমরা ২০২৬ সালে সবচেয়ে জনপ্রিয়।
একটি ভালো AI Video Editor-এ কী কী খুঁজবেন?
সব অ্যাপই যে আপনার জন্য ভালো হবে, তা নয়। একটি উপযুক্ত অ্যাপ বাছাই করার আগে কয়েকটি জিনিস জেনে নিন:
Users Interface
অ্যাপটি ব্যবহার করা কতটা সহজ? নতুন ব্যবহারকারী হিসেবে আপনি কি মিনিটের মধ্যেই জিনিসগুলো বুঝতে পারবেন? পরিষ্কার এবং ব্যবহারবান্ধব ইন্টারফেস থাকা জরুরি।
Free ফিচারের সীমা
অধিকাংশ "ফ্রি" অ্যাপেরই কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে। যেমন: ভিডিওতে **ওয়াটারমার্ক** লাগানো, এক্সপোর্টের কোয়ালিটি কমিয়ে দেওয়া, বা কিছু উন্নত ফিচার লক করে রাখা। কোন অ্যাপে ফ্রিতেই কি পাওয়া যায়, তা জানা গুরুত্বূর্ণ।
প্রধান AI ফিচারসমূহ
একটি AI এডিটর আসলেই কী করতে পারে সাধারণত অটো ক্যাপশন তৈরি ব্যাকগ্রাউন্ড সরানো বা বদলানো স্মার্ট টেমপ্লেট অটো কাটিং এবং আবহসঙ্গীত সুপারিশের মতো ফিচারগুলো দেখবেন ।
ডিভাইস ও প্ল্যাটফর্ম
অ্যাপটি কি শুধু Android বা iOS এ নাকি ডেস্কটপ কম্পিউটার বা ওয়েব ব্রাউজার থেকেও ব্যবহার করা যায় আপনার যেসব ডিভাইস আছে তার জন্য উপযোগী কিনা দেখে নিন
২০২৬ সালের সেরা ১০টি Free AI Video Editor Apps কী কী?
১. ক্যাপকাট (CapCut)
সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ
CapCut এখনকার সবচেয়ে আলোচিত free video editor। TikTok-এর official editor হওয়ায় এটি সরাসরি social media trend-এর সাথে যুক্ত।
• সুবিধা: পুরোপুরি free এবং final video-তে কোনো watermark থাকে না। TikTok ও Instagram Reels-এর জন্য হাজারো template আছে। Auto caption ফিচার বাংলা সহ অনেক ভাষায় subtitle তৈরি করতে পারে।
• অসুবিধা: খুব advanced বা Hollywood-style AI effect-এর জন্য এটি সেরা নয়।
• কার জন্য উপযুক্ত: Instagram, TikTok, Reels বা YouTube Shorts-এর জন্য দ্রুত trendy video বানাতে চাইলে CapCut আদর্শ।
• বিশেষ টিপস: CapCut-এর Isolate Voice ফিচার ব্যবহার করলে background noise দূর করা যায়।
২. ক্যানভা (Canva)
ডিজাইনার এবং ব্যবসায়ীদের প্রিয় অ্যাপ
Canva মূলত graphic design-এর জন্য জনপ্রিয়, তবে এর video editor-ও দারুণ। এতে design এবং video একসাথে করা যায়।
• সুবিধা: লাখো professional-level video template এবং stock media আছে। Magic Studio নামের AI tools দিয়ে লেখা থেকে video, ছবি edit – সবই করা যায়। Team collaboration-এর সুবিধা অসাধারণ।
• অসুবিধা: advanced video transition বা color grading-এর সরঞ্জাম কম। Free version-এ export করলে Canva watermark দেখা যায়।
• কার জন্য উপযুক্ত: ব্যবসায়িক presentation, social media post বা promotional video বানাতে Canva ভালো।
৩. ডাভিঙ্কি রিজলভ (DaVinci Resolve)
প্রফেশনালদের বিশ্বস্ত টুল
DaVinci Resolve হলো professional-grade free video editing software। Hollywood-এর অনেক সিনেমা এডিট হয়েছে এটি দিয়ে।
• সুবিধা: watermark নেই এবং color correction-এর জন্য এটি সেরা। Fusion page-এ Hollywood-style visual effect তৈরি করা যায়।
• অসুবিধা: interface জটিল এবং শেখার curve অনেক বেশি। হালকা কাজের জন্য এটি অতিরিক্ত হতে পারে।
• কার জন্য উপযুক্ত: যারা video editing-কে পেশা হিসেবে নিতে চান বা YouTube-এ cinema-quality video বানাতে চান।
৪. পাওয়ারডিরেক্টর (PowerDirector)
শক্তি এবং সহজতার মিশেল
PowerDirector beginner থেকে professional – সবার জন্য উপযুক্ত। Mobile এবং desktop দুই version-ই শক্তিশালী।
• সুবিধা: AI sky replacement, AI object detection-এর মতো ফিচার আছে। Interface সহজবোধ্য এবং free version-এ প্রচুর template ও effect পাওয়া যায়।
• অসুবিধা: free version-এ export করলে PowerDirector watermark থাকে। কিছু AI ফিচার শুধু paid version-এ পাওয়া যায়।
• কার জন্য উপযুক্ত: যারা CapCut-এর চেয়ে বেশি ফিচার চান কিন্তু DaVinci Resolve-এর মতো জটিলতা চান না।
৫. ক্লিপচ্যাম্প (Clipchamp)
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের সুবিধা
Clipchamp এখন Windows 10 ও 11-এ built-in। আলাদা করে install করার দরকার নেই।
• সুবিধা: সরাসরি web browser থেকে ব্যবহার করা যায়। Windows-এর সাথে deeply integrated। Auto caption ও text-to-speech ফিচার আছে।
• অসুবিধা: offline কাজ করা যায় না এবং বড় project-এর জন্য উপযুক্ত নয়।
• কার জন্য উপযুক্ত: Windows user যারা দ্রুত video trim বা edit করতে চান।
৬. ভিএন ভিডিও এডিটর (VN Video Editor)
শক্তিশালী এবং watermark-মুক্ত
VN Video Editor মোবাইল video editing-এর একটি hidden gem।
• সুবিধা: পুরোপুরি free এবং কোনো watermark নেই। Multi-layer timeline, keyframe animation, precision editing-এর মতো pro ফিচার আছে।
• অসুবিধা: এর AI ফিচার অন্য অ্যাপের মতো উন্নত নয়।
• কার জন্য উপযুক্ত: যারা mobile-এ free-তে professional-level কাজ করতে চান।
৭. কাইনমাস্টার (KineMaster)
মোবাইল এডিটিং এর দিগ্গজ
KineMaster মোবাইল video editing-এর পুরোনো ও বিশ্বস্ত নাম।
• সুবিধা: multi-layer support, chroma key (green screen), precision control আছে। Subscription নিলে watermark মুক্ত হয়।
• অসুবিধা: free version-এ প্রতিটি video-তে KineMaster logo থাকে।
• কার জন্য উপযুক্ত: সিরিয়াস mobile content creator যারা শক্তিশালী tools চান।
৮. ফিল্মোরা (Wondershare Filmora)
ক্রিয়েটিভ কন্ট্রোল সহ সহজতা
Filmora desktop-এ beginner-friendly editing-এর জন্য জনপ্রিয়। এখন এর AI ফিচার এটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে।
• সুবিধা: creative effect, transition, filter আছে। AI copywriting দিয়ে script লেখা যায় এবং AI audio denoise দিয়ে sound পরিষ্কার করা যায়।
• অসুবিধা: free trial version-এ বড় watermark থাকে এবং অনেক ফিচার lock থাকে।
• কার জন্য উপযুক্ত: যারা desktop-এ সহজে কিন্তু stylish video বানাতে চান।
৯. ইনশট (InShot)
দ্রুত এডিটিং এবং Reels-এর জন্য আদর্শ
InShot vlog ও social media video-এর জন্য খুব জনপ্রিয়।
• সুবিধা: সহজ interface। Video trim, cut, speed control দ্রুত করা যায়। Music ও text যোগ করাও সহজ।
• অসুবিধা: AI ফিচার basic এবং free version-এ video-র শেষে InShot watermark থাকে।
• কার জন্য উপযুক্ত: যারা শুধু video কেটে কিছু text বা music যোগ করে দ্রুত Instagram বা TikTok-এ পোস্ট করতে চান।
১০. ভিভাকাট (VivaCut)
শৈলী এবং Cinematic Effect-এর জন্য
VivaCut visual effect ও cinematic style-এর জন্য পরিচিত।
• সুবিধা: Hollywood-style text ও title animation তৈরি করা যায়। Keyframing দিয়ে motion effect নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
• অসুবিধা: interface নতুনদের জন্য জটিল এবং free version-এ ad ও watermark থাকে।
• কার জন্য উপযুক্ত: যারা video-তে unique visual style বা cinematic film look চান।
আপনার জন্য কোন AI ভিডিও এডিটরটি সেরা?
সব অ্যাপ সবার জন্য না। আপনার প্রয়োজন বুঝে বাছাই করুন:
● আপনি একদম নতুন শুরু করছেন তাহলে আপনার জন্য সেরা পছন্দ হল CapCut বা Clipchamp। এগুলো ব্যবহার করা খুব সহজ, এবং আপনি জটিলতা ছাড়াই দ্রুত ফলাফল পাবেন। আপনি সোশ্যাল মিডিয়া content creator (Instagram/TikTok)
CapCut এক্ষেত্রে অপরাজেয়। এর template এবং trendy tools আপনার কাজের গতি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেবে। InShot-ও দ্রুত কাজের জন্য ভালো।
● আপনি professional video editor বা YouTuber হতে চান তাহলে আপনার শেখা শুরু করা উচিত DaVinci Resolve দিয়ে। এটি শিখতে সময় লাগলেও ভবিষ্যতের জন্য সেরা investment। বিকল্প হিসেবে PowerDirector নিতে পারেন।
● আপনি শুধু আপনার mobile ফোনেই সব কাজ করতে চান
VN Video Editor বা KineMaster এর দিকে দেখুন। VN যদি watermark মুক্ত free version চান, আর KineMaster যদি মাসিক subscription দিয়ে pro version নিতে রাজি থাকেন।
• User Interface: কতটা সহজে শেখা ও ব্যবহার করা যায়
• Free Feature Limit: watermark, export quality, feature lock
• প্রধান AI Features: auto-caption, background removal, template ইত্যাদি
• Device ও Platform: Mobile (Android/iOS), Desktop, বা Web-based কিনা।
সবচেয়ে সহজ ফ্রি AI ভিডিও এডিটর কোনটি?
● CapCut হলো সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় ফ্রি ভিডিও এডিটর। এতে ড্র্যাগ-ড্রপ ইন্টারফেস, অটো ক্যাপশন, টেক্সট-টু-স্পিচ, ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভসহ সব AI ফিচার বিনামূল্যে পাওয়া যায়। কোনো ওয়াটারমার্ক নেই এবং ৪কে ভিডিও এক্সপোর্ট করা যায়। ইনস্টাগ্রাম রিলস, ইউটিউব শর্টস বা ব্লগ ভিডিওর জন্য এটি এক নম্বর পছন্দ।
● Canva মূলত গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য পরিচিত হলেও এর ভিডিও এডিটরও বেশ কার্যকর। এতে হাজারো টেমপ্লেট, স্টক মিডিয়া এবং বেসিক AI ফিচার রয়েছে। তবে ফ্রি ভার্সনে ভিডিওতে ক্যানভার ওয়াটারমার্ক থাকে। ব্যবসায়িক প্রেজেন্টেশন বা সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্স তৈরির জন্য এটি উপযুক্ত।
● Clipchamp হলো মাইক্রোসফটের ওয়েব-ভিত্তিক ভিডিও এডিটর। এটি সরাসরি ব্রাউজার থেকে ব্যবহার করা যায়, কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করার দরকার নেই। মাঝারি মানের AI ফিচার রয়েছে এবং ফ্রি ভার্সনে কোনো ওয়াটারমার্ক নেই। দ্রুত ওয়েব-ভিত্তিক ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য এটি ভালো।
● VN/KineMaster মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য জনপ্রিয় ভিডিও এডিটর। এতে মাল্টি-লেয়ার টাইমলাইন, কীফ্রেম অ্যানিমেশনসহ কিছু প্রো ফিচার রয়েছে। তবে ফ্রি ভার্সনে ওয়াটারমার্ক থাকে এবং AI ফিচার সীমিত। মোবাইলেই সহজে ভিডিও এডিট করতে চাইলে এটি ব্যবহার করা যায়।
বিনামূল্যে ব্যবসায়িক ভিডিও বানানোর জন্য কোন অ্যাপ ভালো?
মোবাইল অ্যাপ (Android/iOS)
১. CapCut (সবচেয়ে ভালো)
এটি সম্পূর্ণ ফ্রি এবং কোনো ওয়াটারমার্ক থাকে না।
প্রোফেশনাল ট্রানজিশন, টেক্সট অ্যানিমেশন, আর বিজনেস টেমপ্লেট পাওয়া যায়।
ব্যবহার: "Business Promo" টেমপ্লেট সার্চ করুন → আপনার ফার্নিচার ছবি দিন → প্রাইস/অফার যোগ করুন।
২. Canva (সহজ + টেমপ্লেট বেশি)
এখানে ১০০০+ বিজনেস ভিডিও টেমপ্লেট আছে।
ফ্রি প্ল্যানে অনেক কাজ করা যায়।
ব্যবহার: "Video" → "Business" → "Product Launch"।
৩. InShot (দ্রুত কাজ)
ছোট বিজনেস অ্যাড (১৫–৩০ সেকেন্ড) বানানোর জন্য সেরা।
মিউজিক লাইব্রেরি আর টেক্সট ইফেক্ট আছে।
ফ্রি ভার্সনে সামান্য ওয়াটারমার্ক থাকে, তবে export করার সময় remove করা যায়।
PC/ল্যাপটপ (ওয়েব ভিত্তিক)
৪. Clipchamp (Microsoft)
Windows 11–এ বিল্ট–ইন, আবার অনলাইনেও ব্যবহার করা যায়।
বিজনেস টেমপ্লেট + AI text-to-speech (বাংলা সাপোর্ট) আছে।
৫. VEED.io (অনলাইন)
ব্রাউজারেই চলে, subtitle auto generate করে।
ফ্রি প্ল্যানে ৭২০p পর্যন্ত ভিডিও export করা যায়।
মোবাইলে সেরা Free AI Video Editor Apps কোন গুলো?
আজকের দিনে শর্টস, রিলস বা ইউটিউব ভিডিও বানানো অনেক সহজ হয়ে গেছে। মোবাইলেই এখন শক্তিশালী এডিটিং টুলস পাওয়া যায়। বিশেষ করে AI ফিচার যুক্ত অ্যাপগুলো ভিডিও বানানোর সময় ও পরিশ্রম দুটোই কমিয়ে দেয়। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য নিচে চারটি জনপ্রিয় অ্যাপ—CapCut, Filmora, VN Video Editor ও InShot—এর সহজ ভাষায় বিশ্লেষণ দেওয়া হলো।
● CapCut (ক্যাপকাট)
CapCut হলো শর্টস ও রিলস বানানোর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ। এর AI অটো ক্যাপশন ফিচার বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় স্বয়ংক্রিয় সাবটাইটেল তৈরি করে, যা সময় বাঁচায়। এছাড়াও ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভাল, টেক্সট-টু-স্পিচ, মোশন ট্র্যাকিং এবং হাজারো ট্রেন্ডিং টেমপ্লেট রয়েছে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—ফ্রি ভার্সনে কোনো ওয়াটারমার্ক থাকে না। তাই যারা দ্রুত, ট্রেন্ডি ভিডিও বানাতে চান তাদের জন্য এটি আদর্শ।
● Filmora (ফিলমোরা)
Filmora-এর বিশেষত্ব হলো AI দিয়ে ভিডিও বানানো। কয়েকটি শব্দ লিখেই এটি টেক্সট-টু-ভিডিও তৈরি করতে পারে। AI অটো কাট ভিডিওর গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো আলাদা করে শর্টস বানিয়ে দেয়। AI বিটস সিঙ্ক ভিডিওর মুহূর্তগুলো গানের বিটের সাথে মিলিয়ে দেয়। তবে ফ্রি ভার্সনে ওয়াটারমার্ক থাকে এবং অনেক AI ফিচার ব্যবহার করতে অতিরিক্ত ক্রেডিট বা সাবস্ক্রিপশন দরকার হয়। যারা AI দিয়ে দ্রুত ভিডিও বানাতে চান তাদের জন্য ভালো, কিন্তু ওয়াটারমার্ক অপছন্দ হলে পেইড ভার্সন নিতে হবে।
● VN Video Editor
VN হলো অপেশাদার ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য শক্তিশালী একটি অ্যাপ। মাল্টি-ট্র্যাক টাইমলাইন থাকায় ভিডিও, অডিও, টেক্সট ও ইফেক্ট আলাদা আলাদা ট্রাকে নিয়ে কাজ করা যায়। কীফ্রেম দিয়ে অবজেক্টের গতি, আকার ও অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ফ্রি ভার্সনে কোনো ওয়াটারমার্ক নেই এবং 4K রেজুলেশনে ভিডিও এক্সপোর্ট করা যায়। তবে ইন্টারফেস একটু জটিল হওয়ায় নতুনদের শেখার সময় বেশি লাগতে পারে।
● InShot (ইনশট)
InShot হলো একেবারে নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ একটি অ্যাপ। ভিডিও কাটাছেঁড়া, ফিল্টার, স্টিকার ও ট্রানজিশন দ্রুত ব্যবহার করা যায়। ভিডিওর রেশিও সহজেই ইউটিউব, টিকটক বা ইনস্টাগ্রামের জন্য পরিবর্তন করা যায়। তবে এতে শক্তিশালী AI ফিচার নেই। ফ্রি ভার্সনে ওয়াটারমার্ক ও বিজ্ঞাপন থাকে, যা অনেকের কাছে বিরক্তিকর হতে পারে।
কোন অ্যাপ বেছে নেবেন
- AI নির্ভর ভিডিও বানাতে চাইলে: Filmora ভালো, তবে ওয়াটারমার্ক থাকবে।
- অটো সাবটাইটেল ও ট্রেন্ডি শর্টস বানাতে চাইলে: CapCut সেরা।
- জটিল এডিটিং ও মাল্টি-ট্র্যাক কাজের জন্য: VN উপযোগী।
- সহজ ও দ্রুত বেসিক এডিটিংয়ের জন্য: InShot ভালো।
Free AI শর্টস মেকার app কি কি?
InVideo AI
• এটি একটি সম্পূর্ণ Text-to-Video টুল।
• শুধু আপনার ধারণা বা আইডিয়া লিখলেই সেটি স্ক্রিপ্টে রূপান্তরিত হয়।
• সেই স্ক্রিপ্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও, ভয়েস এবং সাবটাইটেল তৈরি হয়।
ফ্রি প্ল্যান সুবিধা
• সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২ মিনিটের ভিডিও বানানো যায়।
• প্রতি সপ্তাহে ১টি AI ক্রেডিট পাওয়া যায়।
• যারা একেবারে নতুন কনটেন্ট তৈরি করতে চান। যাদের ভিডিও বানানোর পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই তাদের জন্য এই app.
Canva AI
• Canva হলো একটি জনপ্রিয় ডিজাইন প্ল্যাটফর্ম।
• এতে এখন AI Shorts Maker ফিচার যুক্ত হয়েছে।
ফ্রি প্ল্যান সুবিধা
• Canva-এর মূল ফ্রি প্ল্যানেই এই সুবিধা পাওয়া যায়।
• নতুন ভিডিও তৈরি করা যায়।
• পুরনো ক্লিপকে Repurpose করে শর্টস বানানো যায়।
OpusClip
• এটি মূলত লম্বা ভিডিও থেকে শর্টস বানানোর জন্য তৈরি।
• যেমন—পডকাস্ট, টিউটোরিয়াল বা দীর্ঘ সাক্ষাৎকার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মজার ও আকর্ষণীয় অংশ কেটে শর্টস বানিয়ে দেয়।
ফ্রি সুবিধা
• ৭ দিনের ট্রায়াল পাওয়া যায়।
• এরপর মাসে সর্বোচ্চ ৬০ মিনিট পর্যন্ত ভিডিও প্রসেসিং সুবিধা থাকে।
কার জন্য উপযোগী
• যারা ইতিমধ্যেই লম্বা ফর্মের কনটেন্ট তৈরি করেছেন।
• যারা সেই কনটেন্টকে পুনরায় ব্যবহার করে শর্টস বানাতে চান।
GravityWrite
• এটি একটি ফ্রি টুল।
• ব্যবহার করতে অ্যাকাউন্ট লাগতে পারে।
• মূলত টেক্সট বা স্ক্রিপ্ট থেকে শর্টস/রিলসের জন্য ক্যাপশন ও সংক্ষিপ্ত পয়েন্ট তৈরি করতে সাহায্য করে।
কার জন্য উপযোগী
• যারা ভিডিওর পাশাপাশি আকর্ষণীয় ক্যাপশন দিতে চান।
• যারা সংক্ষিপ্ত তথ্য বা হাইলাইট যোগ করতে চান।
উপসংহার
পশ্চিমবঙ্গের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এই টুলগুলো বিশেষভাবে উপযোগী। নতুনরা চাইলে InVideo AI দিয়ে শুরু করতে পারেন, যারা ডিজাইন ও ভিডিও একসাথে করতে চান তারা Canva AI ব্যবহার করতে পারেন। আর যাদের লম্বা ভিডিও আছে তারা OpusClip দিয়ে সহজেই শর্টস বানাতে পারবেন। ক্যাপশন ও সংক্ষিপ্ত তথ্যের জন্য GravityWrite একটি ভালো সহায়ক।